kalerkantho

সোমবার । ৬ বৈশাখ ১৪২৮। ১৯ এপ্রিল ২০২১। ৬ রমজান ১৪৪২

কাশ্মীর ও বালতিস্তানে মানবাধিকার খর্ব করছে পাকিস্তান

অনলাইন ডেস্ক   

১ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৭:৩৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কাশ্মীর ও বালতিস্তানে মানবাধিকার খর্ব করছে পাকিস্তান

পাকিস্তানের দখলে থাকা কাশ্মীর ও গিলগিট-বালতিস্তানে মানবাধিকার খর্ব হয়েছে বলে জানিয়েছেন মানবাধিকারকর্মীরা। সেখানে মানুষের ভাষা, ধর্ম, সংস্কৃতি-প্রথা ও পছন্দের অনুশীলন নেই বলে দাবি করেছেন তারা। সম্প্রতি লন্ডনে আয়োজিত এক আলোচনাসভায় মানবাধিকারকর্মীরা পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর ও গিলগিট-বালতিস্তানে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেছে। সেখানে তারা ওই অঞ্চলের সংখ্যালঘু মানুষের অধিকার খর্বের বিষয়ে পাকিস্তান সরকারের সমালোচনা করেন।

‘হিউম্যান লাইভস ম্যাটার : কমপেরেইটিভ স্টাডি অব হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ইন জম্মু অ্যান্ড কাশ্মীর অ্যান্ড পাকিস্তান অকুপাইড কাশ্মীর অ্যান্ড গিলগিট-বালতিস্তান’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন ওই আলোচনাসভায় উপস্থাপন করা হয়। সভায় পাকিস্তান বংশোদ্ভূত মানবাধিকারকর্মী আরিফ আজাকিয়া বলেন, ৭০ বছর ধরে কাশ্মীরে ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে পাকিস্তান। পাকিস্তান সেনাবাহিনী এই ইস্যু জিইয়ে রেখেছে, কারণ এটিই তাদের জীবন-জীবিকার মাধ্যম। গিলগিট-বালতিস্তান চীনের কাছে বন্ধক রেখেছে পাকিস্তান সরকার। সেখানে মানুষ নরকের মতো জীবন যাপন করছে। এ অঞ্চলে জনসংখ্যাতাত্ত্বিক একটা পরিবর্তন হয়েছে।

আজাকিয়া আরো বলেন, জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যের ভারতের লোকেরা মানবাধিকার ভোগ করছে। তারা কাশ্মীরের খাবার খাচ্ছে। কাশ্মীরি ভাষায় কথা বলতে ও কাশ্মীরি পোশাক পরতে পারছে। তারা সাত দশক ধরে কাশ্মীরি রীতি-নীতি অনুধাবন করছে। অথচ পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর ও গিলগিট-বালতিস্তানের লোকেরা নিজেদের ভাষায় কথা বলা, নিজেদের পোশাক পরা, স্থানীয় রীতি-নীতি অনুধাবন, এমনকি ধর্ম পালনেও স্বাধীনতা ভোগ করছে না। এখানেও একটি জনসংখ্যাতাত্ত্বিক পরিবর্তন ঘটেছে।

সমাজকর্মী সুশীল পণ্ডিত বলেছেন, পাকিস্তান একটি অগ্রহণযোগ্য স্বতন্ত্র নীতিতে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছিল। তারা দাবি করেছিল যে হিন্দু-মুসলিম একসঙ্গে বাস করতে পারে না। তাদের আলাদা রাষ্ট্র প্রয়োজন। অথচ শতাব্দী ধরে হিন্দু-মুসলিম কিভাবে একসঙ্গে বাস করছে- এ বিষয়টি তারা বোঝাতে ব্যর্থ হয়েছিল। 

তিনি কাশ্মীরে আমূল সংস্কার আনতে এর জনগণকে আহ্বান জানিয়েছেন। সুশীল পণ্ডিত বলেন, একজন ভারতীয় যা করে কাশ্মীরের লোকজন সেসবই করতে চায়। জম্মু-কাশ্মীরের যুবকরা আইএসআইয়ের পতাকা ওড়াতে চায় না, যেমনটি পাকিস্তান ও এর সহযোগীরা চাচ্ছে। আমি বিশ্বাস করি, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী এসব শত্রুকের কঠোরভাবে মোকাবেলা করবে।

সূত্র : দ্য ইকোনোমিকস টাইমস্।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা