kalerkantho

রবিবার। ২২ ফাল্গুন ১৪২৭। ৭ মার্চ ২০২১। ২২ রজব ১৪৪২

তাইওয়ানে আবারো চীনের যুদ্ধবিমান

অনলাইন ডেস্ক   

২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ১৮:৪৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



তাইওয়ানে আবারো চীনের যুদ্ধবিমান

নতুন করে চীনের ১২টি যুদ্ধবিমানসহ মোট ১৫টি বিমান তাইওয়ানের আকাশ দিয়ে উড়ে গেছে। গত শনিবার চীনের যুদ্ধবিমান তাইওয়ানের আকাশে প্রবেশের পর গতকাল রবিবার আবারও একই কাজ করল চীন। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন যুক্তরাষ্ট্রের দায়িত্ব নেওয়ার পর তাইওয়ান ও চীনের মধ্যে উত্তেজনা বেশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

চীন তাইওয়ানকে নিজেদের অংশ বলে দাবি করে। গত কয়েক মাসে দ্বীপরাজ্যটির কাছে সামরিক তৎপরতা বাড়িয়েছে চীন। সাধারণত চীনের গোয়েন্দা বিমান তাইওয়ানের সমুদ্রের আকাশে প্রবেশ করলেও যুদ্ধবিমান প্রবেশের ঘটনা বেশ বিরল। তবে শনিবার চীনের আটটি বোমারু ও চারটি ফাইটার জেট বিমান তাইওয়ানের দক্ষিণপশ্চিমের বিমান প্রতিরক্ষা শনাক্তকরণ অঞ্চলে অনুপ্রবেশ করে বলে জানিয়েছিল দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

এরপর আবার গতকাল রবিবার তাইওয়ান জানায়, আবারো চীনের ১৫টি বিমান তাদের আকাশসীমায় প্রবেশ করেছে। এগুলো হল ৬টি জে-টেন ফাইটার, চারটি জে-সিক্সটিন, দুটি এসইউ-থার্টি একটি ওয়াই-এইট পর্যবেক্ষক বিমান ও দুটি ওয়াই-এইট অ্যান্টি-সাবমেরিন বিমান।

এর বিপরীতে তাইওয়ানও তাদের বিমান পাঠিয়েছে বলে জানানো হয়। দেশটির মন্ত্রণালয় জানায়, ‘চীনের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে বিমানের আক্রমণমূলক সতর্কতা দলকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, রেডিও সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং বিমান প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা মোতায়েন করা হয়েছে।’

এ ঘটনায় চীন এখনো কোনো মন্তব্য করেনি। এর আগে চীনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, দেশের অখণ্ডতা রক্ষায় এবং যুক্তরাষ্ট্র ও তাইওয়ানের ‘ষড়যন্ত্র’ রুখতে সতর্কতা হিসেবে তারা এসব কার্যক্রম চালাচ্ছে। চীনের এই কার্যক্রমে ওয়াশিংটনের উদ্বেগ বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। শনিবার তাওয়ানের ওপর চাপ কমাতে চীনের প্রতি আহ্বান জানায় যুক্তরাষ্ট্র। বাইডেনের প্রশাসন জানায়, তাইওয়ানের প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতি ‘পাথরের মতো শক্ত’।

এদিকে শনিবার মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্টের নেতৃত্বে একটি নৌবহর দক্ষিণ চীন সাগরে প্রবেশ করেছে। ‘সমুদ্রের স্বাধীনতার’ প্রতি জোর দিতে এই অপারেশন চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন নৌবাহিনী।

সূত্র: সিএনএন, বিবিসি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা