kalerkantho

রবিবার। ৩ মাঘ ১৪২৭। ১৭ জানুয়ারি ২০২১। ৩ জমাদিউস সানি ১৪৪২

কৃষক আন্দোলনের কাছে নতিস্বীকার মোদির, বাধ্য হলেন বৈঠকে বসতে

অনলাইন ডেস্ক   

১ ডিসেম্বর, ২০২০ ১৪:২৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কৃষক আন্দোলনের কাছে নতিস্বীকার মোদির, বাধ্য হলেন বৈঠকে বসতে

ভারতের উত্তর প্রদেশের বারাণসিতে গিয়ে ফের একবার কৃষি আইনের সমর্থনে সরব হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ অবশেষে কৃষকদের আন্দোলনের মুখে নতিস্বীকার করেছেন মোদি। এ নিয়ে শর্তহীন আলোচনায় বসছেন মঙ্গলবার। তবে মোদির অভিযোগ, নতুন কৃষি আইন নিয়ে কৃষকদের ভুল বোঝানো হচ্ছে৷ আর এই আইনগুলো ঐতিহাসিক এবং যুক্তিযুক্ত বলে দাবি করে  প্রধানমন্ত্রী বলছেন, যারা কৃষকদের ভালো চাননি, তারাই এখন এই আইনের বিরোধিতা করতে গিয়ে কৃষকদের ভয় দেখাচ্ছেন৷

নতুন তিনটি কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন কৃষকরা৷ দিল্লি অভিযানের ডাক দিয়েছেন তারা৷ হরিয়ানা- দিল্লি, উত্তর প্রদেশ- দিল্লি সীমান্তে জমায়েত হয়েছেন হাজার হাজার কৃষক৷ ক্রমেই এই আন্দোলনের রেশ দেশের অন্যত্রও ছড়িয়ে পড়ছে৷ এই প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলছেন, নতুন এই কৃষি আইনগুলো কৃষকদের আয় বাড়াতে সাহায্য করবে৷ মধ্যস্বত্বভোগীদের দাপট কমবে৷

নরেন্দ্র মোদি বলেন, 'নিজেদের উৎপাদিত ফসল কাকে বেচবেন তা বেছে নেওয়ার অধিকার কি কৃষকদের থাকা উচিত নয়? কেউ যদি বেশি দাম দিয়ে সরাসরি ফসল কিনতে চান, তাহলে কি ফসল বেচতে পারবেন না কৃষকরা? কৃষি আইন সংশোধনের ফলে আরো বড় বাজার খুলে যাবে কৃষকদের সামনে৷' প্রধানমন্ত্রী আরো দাবি করেন, কেউ যদি পুরনো পদ্ধতিতেই ফসল বেচতে চান, তাহলে সেই সুযোগও পাবেন কৃষকরা৷ 

কংগ্রেসের দিকে আঙুল তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এত দিন ন্যূনতম সহায়ক মূল্য থাকলেও তা নিয়ে নির্দিষ্ট কোনো নীতি ছিল না৷ ঋণ মওফুক করা নিয়েও কৃষকদের মিথ্য প্রতিশ্রুতি দেওয়া হতো বলে অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী৷ এমনকি সারেরও কালোবাজারির অভিযোগ তোলেন নরেন্দ্র মোদি৷ তার অভিযোগ, ভোট পাওয়ার জন্য নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ঠকানো হতো কৃষকদের৷

প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, কৃষকদের দাবিগুলো নিয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি সরকার৷ কৃষকদের জন্য তার সরকার কাজ করতে থাকবে বলে দাবি করেছেন মোদি৷ কৃষকদের ক্ষমতায়নেই নতুন এই আইনগুলো আনা হয়েছে৷ 

 কৃষক সংগঠনগুলোর নেতারা মঙ্গলবার ফের বৈঠকে বসবে৷ এরপর কেন্দ্রীয় সরকারের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দেখা করবেন তাঁরা৷

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা