kalerkantho

সোমবার। ৪ মাঘ ১৪২৭। ১৮ জানুয়ারি ২০২১। ৪ জমাদিউস সানি ১৪৪২

হরতাল নগরী কলকাতায় ধর্মঘটের তেমন প্রভাব চোখে পড়ল না...

অনিতা চৌধুরী, কলকাতা প্রতিনিধি   

২৭ নভেম্বর, ২০২০ ১৫:৪৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হরতাল নগরী কলকাতায় ধর্মঘটের তেমন প্রভাব চোখে পড়ল না...

কলকাতাকে অনেকেই হরতালের শহর বলেন। প্যানডেমিক-এর আবহে সারা ভারতজুড়ে ডাকা ধর্মঘট সফল করতে গতকাল সকাল থেকেই সক্রিয় ছিলেন বাম- কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকেরা। পশ্চিমবঙ্গে জেলায় জেলায় বিক্ষিপ্ত অশান্তি হয়, তবে ধর্মঘটের বিশেষ প্রভাব পড়ল না কলকাতায়।

নরেন্দ্র মোদি সরকারের কৃষি আইন, শ্রম আইনের খোলনলচে বদল, আলু-পেঁয়াজ থেকে পেট্রোপণ্যের আকাশছোঁয়া মূল্যবৃদ্ধির বিরোধিতায় বৃহস্পতিবার দেশজুড়ে কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠনগুলো ধর্মঘট পালন করেছে।

পাঞ্জাব,হরিয়ানা, দিল্লিসহ অনেক জায়গায় হরতাল বেশ সফল হয়েছে এবং সেখানে পুলিশের সাথে হরতালকারীদের সংঘর্ষ হয়। কিন্তু হরতালের শহর কলকাতাতে চিত্রটা ছিল অনেক আলাদা।

ধর্মঘট ঘিরে যাতে কোনোধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেদিকে লক্ষ্য ছিল মমতা ব্যানার্জি সরকারের। শুধুমাত্র কলকাতাতেই ৫ হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

হরতালের সমর্থকরা সকালের দিকে মাঝেমধ্যেই শিয়ালদহ এবং হাওড়া স্টেশনে বিক্ষোভ দেখান এবং রেল পরিষেবা ব্যাহত হয়। তবে মানুষকে বাড়িতে আটকে রাখা যায়নি। এবং বিক্ষিপ্ত অশান্তি হলেও মোটের উপর বন্‌ধের দিনে শান্তিপূর্ণ ছিল মহানগর।

দিন যত গড়িয়েছে, ততই বনধের বিরোধিতা করে কলকাতা এবং আশেপাশের জায়গায় মানুষ রাস্তায় বেরিয়েছে । খুলেছে সব দোকান বাজার, দেখলে মনেই হবে না এই অঞ্চলে বনধের কোনও প্রভাব পড়েছে। রাস্তায় স্বাভাবিক নিয়মে যান চলাচল করেছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, সবার আগে জীবিকা, তাই বর্তমান করোনা, আনলক পরিস্থিতিতে কাজ না করলে চলবে না। এমনি লকডাউনের কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল কাজকর্ম। এরপর ধর্মঘট করলে খাব কি!

ব্যবসায়ীদের মন্তব্য, কর্মনাশা বনধ করে আদতে কোনও সমস্যা মিটবে না।

শুধু কলকাতাতেই নয়, উত্তরবঙ্গে চা বাগানগুলোতে বনধের কোনো প্রভাব পড়েনি। শ্রমিকরা বনধের ডাক উপেক্ষা করে কাজে যোগ দেন।

"মাত্র ১৭৬ টাকা দৈনিক মজুরি পাই আমরা। কাজ না করে কিভাবে চলবে?"-বলেন চা বাগানের শ্রমিক সোনাম শেরপা ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা