kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ মাঘ ১৪২৭। ২৮ জানুয়ারি ২০২১। ১৪ জমাদিউস সানি ১৪৪২

গুগল ও ফেসবুকের বিষয়ে যুক্তরাজ্যে আসছে নতুন আইন

অনলাইন ডেস্ক   

২৭ নভেম্বর, ২০২০ ১৪:৫৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গুগল ও ফেসবুকের বিষয়ে যুক্তরাজ্যে আসছে নতুন আইন

গুগল এবং ফেসবুকের আধিপত্য কমাতে যুক্তরাজ্যে নতুন আইন জারি হচ্ছে। সামনের বছর থেকেই এ আইন কার্যকর হবে। অনলাইন দুনিয়ায় একতরফা আধিপত্য চালিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করছে বলে এসব প্রযুক্তি কম্পানির বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। কম্পিটিশন অ্যান্ড মার্কেটস অথরিটি (সিএমএ) জানিয়েছে, ২০১৯ সালে অনলাইনে বিজ্ঞাপন বাবদ ১৮ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে। এর মধ্যে ৮০ শতাংশ বিজ্ঞাপন ব্যয়ের বিষয়ে প্রতিষ্ঠান দুটির কাছে কৈফিয়ত চাওয়া হয়েছে।

নতুন আইনের আওতায় গ্রাহকদের নিজেদের তথ্যের ওপর তাদের আরো বেশি নিয়ন্ত্রণ প্রদানের চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এর ফলে ছোট ছোট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান লাভবান হবে। সরকার বলছে, বড় বড় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান যেন গণমাধ্যমগুলোকে চাপ দিতে না পারে সেটা নিশ্চিত করা হবে।

এক বিবৃতিতে ডিজিটাল সেক্রেটারি অলিভার ডাওডেন বলেন, যুক্তরাজ্য এবং অন্যান্য দেশ একটি বিষয়ে একমত যে স্বল্পসংখ্যক প্রযুক্তি কম্পানির আধিপত্য বিস্তারের মনোভাব এই খাতের প্রবৃদ্ধি কমানো, উদ্ভাবনের গতি হ্রাস এবং তাদের ওপর নির্ভরশীল লোকজন এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তিনি বলেন, নতুন যুগের বিকাশমান প্রযুক্তিকে মুক্ত ঘোষণা করার সময় এসেছে। নতুন আইনের কারণে সবচেয়ে শক্তিশালী সংস্থাগুলোর প্রতি কী ধরনের প্রত্যাশা রয়েছে, তা পরিষ্কার হবে। ফলে বিভিন্ন প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠান এবং ব্যবহারকারীদের মধ্যে যোগাযোগকে আরো গ্রহণযোগ্য করে তুলবে।

ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের জন্য যে ক্ষেত্রগুলোতে অর্থায়ন করা হয়, সেগুলো কিভাবে সেবা দিচ্ছে এবং গ্রাহকদের তথ্য তারা কিভাবে ব্যবহার করছে, সে বিষয়টি স্বচ্ছ হতে হবে। গ্রাহক কোন ধরনের বিজ্ঞাপন গ্রহণ করবে, সে বিষয়ে তাদের বিভিন্ন বিকল্প উপস্থাপন করবে প্রতিষ্ঠানগুেলো এবং তাদের গ্রাহকদের ওপর কোনো ধরনের সীমাবদ্ধতা আরোপ থেকে তারা দূরে থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর ফলে গ্রাহকদের প্রতিদ্বন্দ্বী প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যবহার করা থেকে বিরত রাখা সহজ হবে।

সিএমএর একটি নতুন ইউনিট এই নতুন আইন কার্যকর করবে।  এর আগে গুগল এবং ফেসবুকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল যে ব্রিটিশ সরকার এবং ডিজিটাল বিজ্ঞানের নীতিনির্ধারণী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।



 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা