kalerkantho

শুক্রবার । ৮ মাঘ ১৪২৭। ২২ জানুয়ারি ২০২১। ৮ জমাদিউস সানি ১৪৪২

বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সভাপতিকে নিয়ে কেন এত আলোচনা?

অনলাইন ডেস্ক   

২৩ নভেম্বর, ২০২০ ১৭:৩৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সভাপতিকে নিয়ে কেন এত আলোচনা?

দিলীপ ঘোষ। ছবির সূত্র: খবর অনলাইন।

ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সভাপতি দিলীপ ঘোষ সব সময়ই আলোচনায় থাকেন। কখনো প্রতিপক্ষকে হুমকি দিয়ে, কখনো গরম বক্তৃতা দিয়ে অর্থ্যাৎ কিছু না কিছু করে আলোচনা জিইয়ে রাখতে পছন্দ করেন এ নেতা। তাকে নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে মিশ্র ধারণা রয়েছে। কারও কাছে তিনি সফল, কারও কাছে আবার তেমনটা নন।

তাকে নিয়ে শুধু যে নেতিবাচক কথা প্রচালিত রয়েছে এমন নয়। তার সময়েই বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে সবচেয়ে ভালো অবস্থান তৈরি করেছে। এখন রাজ্য বিজেপি ক্ষমতায় যাওয়ার মতো পরিস্থিতিতে রয়েছে বলে দলটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়। এক সময়ের কংগ্রেস নেতা ও বর্তমানে তৃণমূল কংগ্রেস নেতা ডা. মানস ভুঁইয়াকে সর্বশেষ লোকসভা নির্বাচনে মেদিনীপুর থেকে পরাজিত করেন এবং রাজ্য বিজেপিও ১৮টি আসন দখল করে নেয়। তার খ্যাতি বা সুখ্যাতি যাই বলা হোক না কেন, তিনি প্রতিপক্ষকে তীর্যক ভাষায় আক্রমণ করতে পছন্দ করেন। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) প্রাক্তন প্রচারক থেকে রাজনীতিতে নাম লেখানো দিলীপ ঘোষ শত সমালোচনায়ও নিজের কথার ধরনে বদল আনেননি। 

গতকাল তৃণমূল কংগ্রেসের বীরভূমের নেতা অনুব্রত মণ্ডলের আক্রমণের জবাবে দিলীপ ঘোষ বলেন, ওসব ড্য়লগবাজি করে লাভ নেই। তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কাজের অভিযোগ তুলে একবার মন্তব্য করেছিলেন, বেশি বাড়বেন না, ক্ষমতায় আসলে একদম অনাথ করে দেব। গত বছর রামনবমীর মিছিলে অস্ত্র উচিয়ে উল্লাস প্রকাশ করায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন তিনি। ক্ষমতায় গেলে মায়ের বুক খালি হবে, প্রতিপক্ষের উদ্দেশ্যে এমন কথা বলতেও দ্বিধা করেননি তিনি। অনেকে বলেন, তার এমন তীর্যক কথাবার্তা বিজেপিকে পশ্চিমবঙ্গে প্রতিষ্ঠা লাভ করতে কিছুটা হলেও সহায়তা করেছে। সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা, আনন্দবাজার পত্রিকা।    

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা