kalerkantho

বুধবার । ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৫ নভেম্বর ২০২০। ৯ রবিউস সানি ১৪৪২

রাজকুমার-রাজকুমারীরাও খেটে খায়

অনলাইন ডেস্ক   

৩১ অক্টোবর, ২০২০ ২১:৫৫ | পড়া যাবে ১ মিনিটে



রাজকুমার-রাজকুমারীরাও খেটে খায়

যাদের নামের সঙ্গে ‘টেঙ্কু' আছে, বুঝতে হবে তারাই রাজকুমার বা রাজকুমারী। কোন বংশের রাকজুমার বা রাজকুমারী? কেন সুলতান হুসেইন শাহর কথা মনে নেই? তার সঙ্গে চুক্তি করেই তো সিঙ্গাপুরে উপনিবেশিক শাসন শুরু করেছিল ব্রিটেন।

গত শতকের শেষ দিকেও জরাজীর্ণ এক রাজপ্রাসাদে গাদাগাদি করে থাকতেন তারা। তখন রাজপ্রাসাদে অবশ্য সুলতানের ৭৯ জন বংশধরের মধ্যে মাত্র ১৪ জন ছিলেন। মাসোহারার আশ্বাস দিয়ে তাদের রাজপ্রাসাদ ছেড়ে অন্য কোথাও চলে যাওয়ার নির্দেশ দেয় সরকার।

সেই রাজপ্রাসাদ এখন জাদুঘর। রাজবংশের হয়েও টেঙ্কু শওল, টেঙ্কু আজান, টেঙ্কু ইন্দ্র, টেঙ্কু ফজল বা প্রিন্সেস পুতেরিকে এখন সেখানে যেতে হয় বেড়াতে। তারা যে এখন সাধারণ মানুষ!

টেঙ্কু ইন্দ্র কনসালট্যান্ট, তার ছেলে টেঙ্কু আজান ব্যবসায়ী, প্রাসাদচ্যুত হওয়ার পর কিছুদিন পরিচ্ছন্নতাকর্মীর কাজ করা টেঙ্কু ফয়জল ট্যাক্সিচালক আর টেঙ্কু পুতেরি এখন বায়োটেক ফার্মের কর্মী। টেঙ্কু ইন্দ্র বলছিলেন,‘আপনি রাজপরিবারের কি না তা আর এখন গুরুত্বপূর্ণ নয়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো পারিবারিক সূত্রে পাওয়া কোনো পরিচয় দিয়ে নয়, এখন জীবিকা নির্বাহ করতে হয় মেধা দিয়ে।

সূত্র: ডয়চে ভেলে বাংলা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা