kalerkantho

শনিবার । ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৮ নভেম্বর ২০২০। ১২ রবিউস সানি ১৪৪২

আর্মেনিয়া-আজারবাইজানের তৃতীয় যুদ্ধবিরতিও লঙ্ঘিত

অনলাইন ডেস্ক   

২৬ অক্টোবর, ২০২০ ১৮:১২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আর্মেনিয়া-আজারবাইজানের তৃতীয় যুদ্ধবিরতিও লঙ্ঘিত

আর্মেনিয়ান সামরিক বাহিনীর প্রকাশিত ছবিতে দেখা যাচ্ছে, এক সৈন্য নাগর্নো-কারাবাখ থেকে আজারবাইজানের দিকে আর্টিলারি নিক্ষেপ করছেন। ছবি: নিউ ইয়ার্ক টাইমস থেকে সংগৃহীত।

অ্যামেরিকার মধ্যস্থতায় তৃতীয়বার যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছিল আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজান। কিন্তু তাও স্থায়ী হলো না। গোলাগুলি চলেছে রবিবার রাতেও। চলেছে দোষারোপ, পাল্টা দোষারোপের পালা। আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সমস্ত দায় চাপিয়ে দিয়েছেন আর্মেনিয়ার ওপর। আর্মেনিয়ার প্রশাসন দায় চাপাচ্ছে আজারবাইজানের উপর।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় শুক্রবার থেকে দীর্ঘ বৈঠক হয়েছে দুই দেশের মধ্যে। রবিবার শেষ পর্যন্ত তৃতীয়বার যুদ্ধবিরতির মানবিক সিদ্ধান্তে পৌঁছয় দুই পক্ষ। কিন্তু সোমবার সকাল হতেই যুদ্ধবিরতি ভঙ্গের অভিযোগ আনলো দুই পক্ষই। আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সোমবার সকালে সমস্ত দায় চাপিয়ে দিয়েছেন আর্মেনিয়ার ওপর। অন্যদিকে আর্মেনিয়ার প্রশাসন দায় চাপাচ্ছে আজারবাইজানের উপর।

প্রায় এক মাস ধরে নাগর্নো-কারাবাখ নিয়ে যুদ্ধে জড়িয়েছে আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজান। প্রথম থেকেই দুই দেশকে শান্তি বৈঠকে বসানোর চেষ্টা করছে রাশিয়া। দুইবার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবও হয় রাশিয়ার মধ্যস্থতায়। কিন্তু অভিযোগ, যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই তা লঙ্ঘন করেছে দুইটি দেশ। এরই মধ্যে গত সপ্তাহে ফের দুই দেশকে আলোচনার টেবিলে বসায় মস্কো। গত বৃহস্পতিবার মস্কোয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বৈঠক করেন আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। কিন্তু তাতেও জট খোলেনি।

এর পর প্রথমে মাইক পম্পেও এবং পরে মার্কিন কূটনীতিবিদদের সঙ্গে বৈঠক করেন আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজানের প্রতিনিধিরা। দীর্ঘ বৈঠকের পর রবিবার সন্ধ্যায় নতুন করে যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্ত হয়। যুক্তরাষ্ট্র, আজারবাইজান এবং আর্মেনিয়া যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে। সেখানে বলা হয় মানবিক কারণে সোমবার সকাল আটটা থেকে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হচ্ছে। কিন্তু সোমবার সকাল হতেই আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, আজারি শহর টারটারে আক্রমণ চালিয়েছে আর্মেনিয়া। সেখানে শেলিং করা হয়েছে। পাল্টা অভিযোগ করে আর্মেনিয়াও। তাদের দাবি, আজারি বাহিনী প্রথম যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে।

এদিকে, ইরানের রেভোলিউশনারি গার্ড জানিয়েছে, আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজানের সীমান্তে তারা সেনার সংখ্যা কয়েকগুণ বৃদ্ধি করেছে। ইরান যাতে দুই দেশের যুদ্ধ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে জন্যই এই ব্যবস্থা বলে তারা জানিয়েছে।

সূত্র: ডয়েচে ভেলে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা