kalerkantho

সোমবার । ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ৩০ নভেম্বর ২০২০। ১৪ রবিউস সানি ১৪৪২

পাকিস্তানে দ্বীপ অধ্যাদেশের বিপক্ষে বিরোধীরা

অনলাইন ডেস্ক   

২২ অক্টোবর, ২০২০ ১৪:০৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পাকিস্তানে দ্বীপ অধ্যাদেশের বিপক্ষে বিরোধীরা

করাচির দক্ষিণাঞ্চলের বুন্দল ও ভুড্ডো দ্বীপপুঞ্জের উন্নয়ন পরিকল্পনার জন্য পাকিস্তান দ্বীপপুঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (পিআইডিএ) অধ্যাদেশে স্বাক্ষর করেছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি। তবে দুটি দ্বীপ চীনের কাছে পাকিস্তান বিক্রি করে দিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

দেশটির বিরোধীদলীয় নেতারা এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সিন্ধু ও বেলুচিস্তান প্রদেশে উপকূল নিয়ে বড় পরিকল্পনার অংশ এই অধ্যাদেশ। চায়না-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডরে অর্থায়ন করেছে চীন।

পাকিস্তান কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, পাকিস্তান দ্বীপপুঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা পিআইডিএ তৈরি হয়েছে দ্বীপগুলোকে বাণিজ্যিক অঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলার জন্য।

সিন্ধু প্রদেশের গভর্নর ইমরান ইসমাইল বলেছেন, বুন্দল নিজেই দুবাইকে ছাড়িয়ে যেতে পারে এবং বিনিয়োগ প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে পারে।

পাকিস্তান পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি বলেন, এই অধ্যাদেশটি বেআইনি। জিয়াই সিন্ধ থিঙ্কারস ফোরামের ভাইস চেয়ারম্যান জাফর সাহিতো মনে করেন, দ্বীপগুলো একসময় চীনের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এ ব্যাপারে তিনি বলেন, চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কাছে আমাদের জমি হস্তান্তর করতে দেব না। মৎস্যজীবীদের সংগঠন পাকিস্তান ফিশারফোক ফোরাম (পিএফএফ) দ্বীপ রক্ষার জন্য আন্দোলনে নেমেছে। তারা এই অধ্যাদেশের ব্যাপারেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।

জানা গেছে, এ অধ্যাদেশের ফলে পাকিস্তানে আরো অর্থায়ন বাড়াতে পারবে চীন। সম্প্রতি রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ এবং পাকিস্তান দ্বীপপুঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (পিআইডিএ) সিদ্ধান্ত অনুসারে, সিন্ধু প্রদেশের আঞ্চলিক পানি দিয়ে চীনের দ্বারা অনুর্বর দ্বীপগুলো বিকাশের লক্ষ্যে একটি সংস্থা গঠন করেছে পাকিস্তান। আর সেই অধ্যাদেশের ব্যাপারে পাকিস্তানের আদালতে চ্যালেঞ্জ করাও যাবে না।

জানা গেছে, পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশ সে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে সমৃদ্ধ উপকূলীয় বেল্ট। এটি ৩৩৮ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত, ম্যানগ্রোভের বৃহত্তম অঞ্চলগুলোর একটি এবং বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম ব-দ্বীপ।

সূত্র : ইকোনমিক টাইমস।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা