kalerkantho

মঙ্গলবার । ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৪ নভেম্বর ২০২০। ৮ রবিউস সানি ১৪৪২

মানবাধিকার কাউন্সিলে পাকিস্তান, চীন! বিশ্বাসযোগ্যতা হারাবে জাতিসংঘ

অনলাইন ডেস্ক   

২১ অক্টোবর, ২০২০ ১৭:১২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মানবাধিকার কাউন্সিলে পাকিস্তান, চীন! বিশ্বাসযোগ্যতা হারাবে জাতিসংঘ

পাকিস্তান ও চীনের সমালোচনা করে পাকিস্তানশাসিত কাশ্মীরের (পিওকে) মানবাধিকারকর্মী আমজাদ আইয়ুব মির্জা বলেছেন, বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীরাই জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে (ইউএনএইচআরসি) নির্বাচিত হয়েছে। সম্প্রতি নিউ ইয়র্কের ইউএনএইচআরসিতে পাকিস্তান ও চীন পুনরায় নির্বাচিত হওয়ার পরই তিনি এ মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, পাকিস্তান ও চীনের মতো দেশগুলো নির্বাচিত হওয়ায় জাতিসংঘ সংস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা হারাবে। 

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীরা জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের বোর্ডে নির্বাচিত হওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে পাকিস্তান, চীন, কিউবা, রাশিয়া এবং সৌদি আরব। এটি সংস্থার বিশ্বাসযোগ্যতার মারাত্মক ক্ষতি করবে। আমজাদ আইয়ুব মির্জা টুইট করে এমনটাই বলেছেন। 

জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের বোর্ড গঠিত হয় ৪৭টি নির্বাচিত সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে। এটি জাতিসংঘের অঙ্গ সংস্থা হিসেবে কাজ করে। সম্প্রতি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ইউএনএইচআরসির ১৫টি সদস্য রাষ্ট্রকে নিয়ে নতুন করে নির্বাচন করার পক্ষে ভোট দিয়েছে। এতে রয়েছে কিউবা ও রাশিয়াও।

আন্তর্জাতিক ফোরামে নিজেদের জানান দেওয়ার সময় পাকিস্তান ও চীনের মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে মন্তব্য করলেন মির্জা। ব্রিটিশ সরকারের পররাষ্ট্র দপ্তর ও কমনওয়েলথ অফিসের ২০১৯ সালে প্রকাশিত হিউম্যান রাইটস প্রায়োরিটি কান্ট্রিসের তালিকায় দুটি দেশের মানবাধিকার লঙ্ঘনের তথ্য দেওয়া হয়েছে।

‘মানবাধিকার ও গণতন্ত্র’ শিরোনামে ওই প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সেখানে বলা হয়, পাকিস্তানে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন ২০১৯ সালে অব্যাহত রয়েছে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, অসহিষ্ণুতা এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতি প্রত্যক্ষ ও প্রকাশ্য নিপীড়ন অব্যাহত রয়েছে।

পাকিস্তান ছাড়াও চীনে প্রচলিত মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়েও বেশ কয়েকটি প্রতিবেদন উদ্বেগ বাড়িয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, চীন এখনো ধর্মীয় বিশ্বাস প্রকাশের ওপর বিধি-নিষেধ স্থাপন করছে, জাতিগত সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার, মিডিয়া ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপসহ মানবাধিকারকর্মীদের আটকে রাখা হচ্ছে এবং হয়রানি করা হচ্ছে। জিনজিয়াংয়ে ১০ মিলিয়ন উইঘুর এবং অন্যান্য জাতির সংখ্যালঘুদের বিচারবহির্ভূতভাবে আটক করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয় প্রতিবেদনে। 

সূত্র : এএনআই, জিফাইভ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা