kalerkantho

বুধবার । ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৫ নভেম্বর ২০২০। ৯ রবিউস সানি ১৪৪২

ভারতের সঙ্গে সংঘর্ষের নেপথ্যে চীনের ‘নির্লজ্জ আগ্রাসন’!

অনলাইন ডেস্ক   

১৮ অক্টোবর, ২০২০ ১৬:৪৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভারতের সঙ্গে সংঘর্ষের নেপথ্যে চীনের ‘নির্লজ্জ আগ্রাসন’!

ভারত ও চীনা সেনাদের গালওয়ান উপত্যকায় মুখোমুখি হওয়া প্রসঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বলছে, সাম্প্রতিক ঘটনা- যেখানে উভয় পক্ষের সেনারা পরস্পরকে পিটিয়ে হত্যা করেছে, সেটি হলো চীনের পুরো সীমান্তে দেশটির সরকারের ‘নির্লজ্জ আগ্রাসন’-এর ফল। জাপানে অনুষ্ঠিত কিউইএডি বা কোয়াড মন্ত্রীগোষ্ঠীর বৈঠক শেষে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর সঙ্গে থাকা সে দেশের এক জ্যেষ্ঠ প্রশাসনিক কর্মকর্তা এ কথা বলেন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওই প্রশাসনিক কর্মকর্তা আরো বলেন, ওই সব ঘটানোর নেপথ্যে একটি বিষয়ের দিকে যদি লক্ষ করেন তবে দেখবেন, সেটি হলো চীন সীমান্তে সরকারের ‘নির্লজ্জ আগ্রাসন’। ইন্দো-প্যাসিফিক মহাসাগরীয় অঞ্চল ও এর পশ্চিম সীমান্তেও এমনই হয়েছে। এসব অঞ্চলে এমন কখনোই হয়নি, যা এখন হচ্ছে। আর এসবই ঘটছে ওই আগ্রাসনের প্রতিক্রিয়ায়। 

চলতি বছরের মে মাসের প্রথম থেকেই পূর্ব ও লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলএসি) বরাবর চীন ও ভারতীয় সেনারা অবস্থান নিয়েছিল। জুনে গালওয়ান উপত্যকার সংঘর্ষের পর এলএসির পরিস্থিতি আরো খারাপের দিকে মোড় নেয়। এরপর শুরু হয় সংঘর্ষ। ওই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের সেনা সদস্যই নিহত হন। জুন মাসের ১৫ থেকে ১৬ তারিখের মধ্যে হওয়া সংঘর্ষে ২০ ভারতীয় সেনা নিহত হয়। 

কোয়াডের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে পম্পেওর উদ্বোধনী বক্তব্য সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের আরো এক কর্মকর্তা জানান, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারত, জাপান এবং অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে তাঁর আলোচনার সূচনা করেছেন। চীনের কর্তৃত্ববাদনীতির বিরুদ্ধেই মূলত তাঁর আলোচনা। আলোচনার টেবিলে অনেক চুক্তিও হয়েছিল। তিনি বলেন, আমাদেরও সমস্যাটি সঠিকভাবে একটি কাঠামোতে নিয়ে আসতে হবে। এটি মার্কিন-চীন বিরোধের বিষয়ে নয়। সেটি হলো মুক্তবিশ্ব বনাম চীনা কর্তৃত্ববাদনীতির বিষয়। আর পররাষ্ট্রমন্ত্রী এটি সম্পর্কেই বারবার বলছেন। এভাবেই তিনি তাঁর আলোচনার কাঠামো তৈরি করেছেন। 

এদিকে ভারত, জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মিলে তৈরি হয়েছে কোয়াড গোষ্ঠী। এই বৈঠকে আলোচনার মূল বিষয় ছিল দক্ষিণ চীন সাগরে চীনা আগ্রাসন। কোয়াডের দেশগুলো নিয়ে টোকিওতে অনুষ্ঠিত ওই সভায় অংশ নিয়ে পম্পেও চীনের ‘শোষণ, দুর্নীতি ও জবরদখল’র নিন্দা করেছেন। তিনি বলেন, এই কোয়াডের অংশীদার হিসেবে, এটি গুরুত্বপূর্ণ যে আমরা আমাদের জনগণ ও অংশীদারদের সিসিপির (চায়নিজ কমিউনিস্ট পার্টি) শোষণ, দুর্নীতি ও জবরদস্তি থেকে রক্ষা করতে সহযোগিতা করেছি।

সূত্র : এএনআই।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা