kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৬ কার্তিক ১৪২৭। ২২ অক্টোবর ২০২০। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

হাথরসের নিহত দলিত তরুণীকে ধর্ষণ করা হয়নি, দাবি পুলিশের

অনলাইন ডেস্ক   

১ অক্টোবর, ২০২০ ২০:৩৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হাথরসের নিহত দলিত তরুণীকে ধর্ষণ করা হয়নি, দাবি পুলিশের

উত্তরপ্রদেশ পুলিশের এডিজি ল অ্যন্ড অর্ডার প্রশান্ত কুমার, ফাইল ছবি।

উত্তরপ্রদেশের হাথরসের দলিত তরুণীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ ও পরিবারের অনুপস্থিতিতে পুলিশ কর্তৃক লাশ দাহ করার ঘটনায় ভারতজুড়ে তোলপাড় চলছে। ধর্ষিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে আজ বৃহস্পতিবার আটক হয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। তবে এবার উত্তরপ্রদেশ পুলিশ দাবি করেছে ওই তরুণীকে ধর্ষণই করা হয়নি। গুজব ছড়ানো হয়েছে।

পুলিশের দাবি, নির্যাতিতার ময়না তদন্তের রিপোর্টে ধর্ষণের উল্লেখ ছিল না। শরীরের একাধিক জায়গায় আঘাতের চিহ্ন থাকলেও ধর্ষণের কোনো প্রমাণ মেলেনি। মৃত্যুর কারণ হিসাবে বলা হয়েছিল, কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট।

উত্তরপ্রদেশ পুলিশের এডিজি ল অ্যন্ড অর্ডার প্রশান্ত কুমার জানিয়েছেন, নির্যাতিতার শরীরে ধর্ষণের কোনো প্রমাণ নেই। তবে হাথরসের নির্যাতিতাকে কে বা কারা নৃশংসভাবে খুন করেছে তার তদন্ত করা হচ্ছে।

অকারনেই ধর্ষণের প্রসঙ্গ তুলে যারা পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ করে তোলার চেষ্টা করেছিল তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছে পুলিশ।

হাথরস কাণ্ডের পর প্রথম থেকেই উত্তরপ্রদেশের পুলিশ কিছুটা ব্যাকফুটে ছিল। তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছিল তদন্তের জন্য। নির্যাতিতার সঙ্গে নৃশংসতার খবর দেশবাসীকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পর্যন্ত এই ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছিলেন। এবং দোষীদের শাস্তি হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

উল্লেখ্য, হাসপাতালে ১৪ দিন লড়াই করার পর হাথরস নির্যাতিতা মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। উত্তরপ্রদেশের পুলিশ দিল্লির সফদরজং হাসপাতাল থেকে নির্যাতিতার লাশ নিয়ে এসে বাড়ির সামনে চুপিসারে দাহ করে দেয়। সেই সময় নির্যাতিতার পরিবারের নারীরা পুলিশের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান। কিন্তু পুলিম তাঁদের ওপর লাঠিচার্জ করে। ঘটনার শুরু আসলে সেখান থেকেই।

সূত্র : জি নিউজ। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা