kalerkantho

শনিবার । ৮ কার্তিক ১৪২৭। ২৪ অক্টোবর ২০২০। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

ভূখণ্ড দখলের প্রতিবাদে নেপালে চীনা দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ

অনলাইন ডেস্ক   

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১৬:৫৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভূখণ্ড দখলের প্রতিবাদে নেপালে চীনা দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ

ছবি: কাঠমাণ্ডুতে চীনা দূতাবাসের সামনে নেপালিদের বিক্ষোভ।

চীন কর্তৃক নেপালের ভূখণ্ড দখলের প্রতিবাদে গত ২৩ সেপ্টেম্বর রাজধানী কাঠমান্ডুতে চীনা দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন একদল নেপালি নাগরিক।

বেশ কিছুদিন ধরেই ধরেই উত্তর নেপালে ঘাঁটি গেড়ে বসেছিল চীনা সেনারা। তখন ভারতের সঙ্গে সংঘাতে মেতে ছিল নেপাল সরকার। এরই মধ্য়ে নেপালের গুমলা জেলার লাপচা বাগর এলাকায় ৯টি অবকাঠামো বানিয়ে ফেলেছে চীনা সেনারা। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই বিক্ষোভে ফেটে পড়েন দেশটির সাধারণ মানুষ। তাঁরা 'ব্যাক অফ চায়না' লেখা প্ল্যাকার্ড এবং ব্যানার নিয়ে বিক্ষোভে অংশ নেন।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, অবৈধভাবে নেপালের মাটিতে ওইসব বাড়ি বানিয়েছে চীন। শুধু তাই নয়, ওই এলাকায় নেপালিদের ঢুকতেও দিচ্ছে না। ওইসব বাড়ি সরকারের অনুমতি ছাড়াই বানানো হয়েছে।

চীন কর্তৃক নেপালের ভূখণ্ড দখল করে অবকাঠামো নির্মাণের বিষয়টি সামনে আসার পর ২৩ সেপ্টেম্বর সকালে প্রধান জেলা কর্মকর্তা চিরঞ্জিবি গিরি ওই অঞ্চলে সফর করেছেন। যেখানে চীনা বাহিনী তাদের নিজেদের ভূখণ্ড দাবি করে অবকাঠামো নির্মাণ করেছে। সেখানে তিনি নেপালের ভূখণ্ডে অবৈধভাবে নির্মিত ৯টি অবকাঠামো দেখতে পেয়েছেন। তবে এই সংখ্যা ১১টি বলে জানা গেছে।

গুমলা জেলার লাপচা লিমি সীমান্ত থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে চীনা পক্ষ ভবন নির্মাণ করেছে। চীন সাম্প্রতিক বেশ কয়েক বছর ধরে নেপাল সীমান্তের নিকট নির্মাণ কাজ করে চলেছে। যদিও নেপাল সরকার ইস্যুটি নিয়ে এখনো চুপচাপ রয়ে গেছে।

তবে নেপালি ভূখণ্ড দখলের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে নেপালের চীনা মিশন একটি বিবৃতি জারি করেছে, যাতে দাবি করা হয়েছে যে ভবনগুলো তাদের পাশেই নির্মিত হয়েছে। নেপালি কর্তৃপক্ষকে সীমান্ত পয়েন্টগুলো যাচাই করার জন্যও বলা হয়েছে।

চীনা দূতাবাসের মুখপাত্র জানিয়েছেন, 'সংবাদমাধ্যমে উল্লিখিত ভবনগুলো চীন-নেপাল সীমান্তের চীনা অংশে নির্মাণ করা হয়েছে। বিষয়টি যাচাই করা হয়েছে। নেপালি পক্ষ চাইলে আবারো যাচাই করতে পারে।'

সূত্র : জি ফাইভ। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা