kalerkantho

বুধবার । ১২ কার্তিক ১৪২৭। ২৮ অক্টোবর ২০২০। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

নতুন কৃষি আইনের প্রতিবাদে উত্তাল ভারত

অনলাইন ডেস্ক   

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১৪:১৯ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



নতুন কৃষি আইনের প্রতিবাদে উত্তাল ভারত

ভারতের দিল্লীতে এখন চরম পর্যায়ে কৃষক বিক্ষোভ। তিনটি কৃষি বিলের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছে কৃষকরা। সোমবার সকালে এক দল কৃষক ইন্ডিয়া গেটের সামনে একটি ট্রাক্টর জ্বালিয়ে দেন। পরে পুলিশ ও দমকল পৌঁছে আগুন নিভিয়ে সরিয়ে নেয় ট্রাক্টরটি।

রবিবার রাতে তিনটি কৃষি বিলে সম্মতি দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। রাত পোহাতেই রাজধানী দিল্লীতে শুরু হয়েছে বিক্ষোভ। পুলিশ বলছে, এদিন সকাল সোয়া ৭ টা থেকে সাড়ে সাতটার মধ্যে ইন্ডিয়া গেটের সামনে জড়ো জন ১৫ থেকে ২০ জনের একটি কৃষকের দল। একটি ট্রাক্টরে আগুন লাগিয়ে দেন তারা, সঙ্গে চলতে থাকে কংগ্রেসের সমর্থনে বিক্ষোভ। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই তারা ঘটনাস্থল ছেড়ে যান। পুলিশ জানিয়েছে, বিক্ষোভকারীদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে।

দিল্লির পাশাপাশি পঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশে এখনও চলছে কৃষকদের প্রতিবাদ-আন্দোলন। পঞ্জাবে অমৃতসর-দিল্লি রেললাইনের উপর অবস্থান বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন চাষিরা। কিসান মজদুর সংঘর্ষ কমিটির ব্যানারে বুধবার থেকে এই কর্মসূচি চলছে। রাজ্য ও কেন্দ্রের নানা আশ্বাস-প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও আন্দোলনকারী কৃষকদের টলানো যায়নি। রাষ্ট্রপতি তিনটি কৃষি বিলে সই করার পর পঞ্জাবে কৃষকদের আন্দোলন আরও জোরদার হবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

২০১৮ সালের নভেম্বরে কিসান মুক্তি মার্চ ঘিরে অস্বস্তিতে পড়েছিল নরেন্দ্র মোদি সরকার। কৃষি ঋণ মকুব, ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বৃদ্ধি এবং এম এস স্বামীনাথন কমিটির সুপারিশ কার্যকর করার দাবিতে পথে নেমেছিলেন সারা দেশের প্রায় ১০ হাজার কৃষক। দুই শতাধিক কৃষক সংগঠনের যৌথ মঞ্চ অল ইন্ডিয়া কিসান সংঘর্ষ কো-অর্ডিনেশন কমিটির ডাকে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কয়েক দিন ধরে পাঁয়ে হেঁটে রাজধানীতে পৌঁছেছিলেন কৃষকরা। সেই আন্দোলন ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল গোটা দেশে। 

কর্নাটকে আবার আন্দোলন চলছে রাজ্য বিধানসভায় দুটি বিল পাশের প্রতিবাদে। শনিবার বিধানসভায় পাশ হয়েছে কৃষি পণ্য বিপণন (নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়ন) সংশোধনী বিলকর্নাটক ভূমি সংস্কার সংশোধনী বিল। তার প্রতিবাদে সোমবার রাজ্য জুড়ে অবস্থান কর্মসূচীর ডাক দিয়েছে বেশ কয়েকটি কৃষক সংগঠন এবং রাজ্যের বিরোধী জোট কংগ্রেস-জেডিএস। যদিও পুলিশ তাতে অনুমতি দেয়নি। তাই এই মিছিল ঘিরে উত্তেজনার আশঙ্কা রয়েছে।

সূত্র: আনন্দবাজার

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা