kalerkantho

মঙ্গলবার । ৪ কার্তিক ১৪২৭। ২০ অক্টোবর ২০২০। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

ট্রাম্পের সমালোচনা করায় ‘আন্তর্জাতিক সাহসী নারী’র পুরস্কার পাচ্ছেন না সাংবাদিক

অনলাইন ডেস্ক   

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১১:২৯ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ট্রাম্পের সমালোচনা করায় ‘আন্তর্জাতিক সাহসী নারী’র পুরস্কার পাচ্ছেন না সাংবাদিক

ট্রাম্পের অপশাসনের সমালোচনা করায় বার্ষিক আন্তর্জাতিক সাহসী নারীর পুরস্কার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন ফিনিশের সাংবাদিক জেসিক্কা আরো। হেলসিঙ্কির মার্কিন দূতাবাস থেকে তাঁকে এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত করার তথ্য জানানো হয়েছিল। তিনি সব ধরনের প্রস্তুতিও নিয়েছিলেন। কিন্তু গত ফেব্রুয়ারিতে তাঁকে স্টেট ডিপার্টমেন্ট তাদের অপারগতার কথা জানিয়ে দিয়েছে।

প্রতিবছরের মতো এবারও মার্চে সেই পুরস্কার হস্তান্তর করা হয়েছে সারা বিশ্বের ১০ সাহসী নারীর মধ্যে। স্টেট ডিপার্টমেন্টের ইন্সপেক্টর জেনারেলের অফিস থেকে গণমাধ্যমকে জানানো হয়েছে যে পুরস্কার দেওয়া না দেওয়ার ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর তা পরিবর্তনের এখতিয়ার রয়েছে স্টেট ডিপার্টমেন্টের। সে আলোকেই তারা জেসিক্কা আরোর নাম শেষ মুহূর্তে বাদ দিয়েছে।

 গত সপ্তাহে ইন্সপেক্টর জেনারেলের অফিস অবশ্য উল্লেখ করে যে ফেসবুক এবং টুইটারে ট্রাম্পের কিছু কর্মকাণ্ড ও মন্তব্যের কঠোর সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে জেসিক্কার নাম ওই তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার অভিযোগ সত্য নয়।

জর্জ ডাব্লিউ বুশের আমলে অর্থাৎ ২০০৭ সালে প্রবর্তিত এই সাহসী নারীর অ্যাওয়ার্ড বিতরণ করা হয় মার্চে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে।। জীবনের ঝুঁকি নিয়েও শান্তি, ন্যায়বিচার, মানবাধিকার ও লিঙ্গসমতার প্রশ্নে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা কিংবা কোনো সংস্থার নেতৃত্ব প্রদানকারীদের বাছাই করা হয় বিভিন্ন দেশের দূতাবাস/হাইকমিশনের সুপারিশে। জেসিক্কা ফিনল্যান্ডের গণমাধ্যমে ২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে ভোটারের মধ্যে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানোর সংঘবদ্ধ একটি ষড়যন্ত্রের তথ্য প্রকাশ করেছিলেন। এ জন্য তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এই হুমকির কারণে তিনি পালিয়ে অন্য দেশে আশ্রয় নেন। জেসিক্কা ছিলেন চূড়ান্ত বাছাইয়ের পর্বে  ৫৫ জনের একজন। এর মধ্য থেকে ১০ জনকে প্রদান করা হয় পুরস্কার। সে তালিকায় তিনিও ছিলেন। হেলসিঙ্কি দূতাবাস গত জানুয়ারিতে তাঁকে অবহিত করেছিল যে মার্চে তাঁকেও সেই পুরস্কার দেওয়া হবে।
 
চূড়ান্ত তালিকার পর গত ফেব্রুয়ারিতে স্টেট ডিপার্টমেন্টের ‘গ্লোবাল উইমেন্স ইস্যু’ অফিসের লোকজন জেসিক্কার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যবেক্ষণ করেন। সাংবাদিকরা আমেরিকানদের শত্রু এবং ভুয়া নিউজের অপর নাম বলে ট্রাম্প বিভিন্ন সময়ে যেসব মন্তব্য করেছেন, সেগুলোকে সমালোচনা করা হয়েছে। এমন মতামতকে প্রেসিডেন্টের বিতর্কিত আচরণ হিসেবেও অভিহিত করা হয়েছে। এ অবস্থায় তাঁকে এই পুরস্কার দেওয়া ঠিক নয় বলে সুপারিশের পরই তাঁর নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। 

সূত্র : নিউ ইয়র্ক টাইমস।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা