kalerkantho

সোমবার । ৩ কার্তিক ১৪২৭। ১৯ অক্টোবর ২০২০। ১ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন রুশ বিরোধীদলীয় নেতা নাভালনি

অনলাইন ডেস্ক   

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১৭:৪৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন রুশ বিরোধীদলীয় নেতা নাভালনি

ছবি: কারো সাহায্য ছাড়াই হাসপাতালের সিঁড়ি দিয়ে নামছেন আ্যালেক্সাই নাভালনি।

প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কঠোর সমালোচক রুশ বিরোধীদলীয় নেতা অ্যালেক্সাই নাভালনি বার্লিনের হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন। নোভিচক নার্ভ এজেন্ট বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে জার্মানিতে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) চ্যারিটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শারীরিক অবস্থার পর্যাপ্ত উন্নতি হওয়ায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এর আগে কারো সাহায্য ছাড়াই সিড়ি থেকে নামার একটি ভিডিও পোস্ট করেন তিনি।

নাভালনির সহযোগীদের অভিযোগ পুতিনের নির্দেশেই তার ওপর বিষপ্রয়োগ করা হয়। তবে এই অভিযোগ জোরালোভাবে অস্বীকার করে আসছে ক্রেমলিন।

গত ২০ আগস্ট সকালে একটি ফ্লাইটে সাইবেরিয়ার টমস্ক থেকে মস্কোয় ফেরার সময়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন আলেক্সাই নাভালনি। পরে বিমানটিকে জরুরি ভিত্তিতে সাইবেরিয়ার ওমস্কে অবতরণ করিয়ে তাকে সেখানকার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি কোমায় চলে যান। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয় বার্লিনের চ্যারিটি হাসপাতালে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিবৃতিতে জানিয়েছে, '৪৪ বছর বয়সী নাভালনিকে ৩২ দিন চিকিৎসা দিয়েছেন তারা। এর মধ্যে ২৪ দিনই নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে ছিলেন তিনি। ওই বিবৃতিতে বলা হয়, রোগীর উন্নতি এবং বর্তমান পরিস্থিতির ভিত্তিতে তাকে চিকিৎসা দেওয়া ডাক্তাররা বিশ্বাস করেন তার পূর্ণ সুস্থতা সম্ভব। তবে তার মারাত্মক বিষক্রিয়ার সম্ভাব্য দীর্ঘ মেয়াদী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে মন্তব্য করার সময় এখনও আসেনি।'

চলতি মাসের শুরুর দিকে রাশিয়ার বিরোধীদলীয় এই নেতা কোমা থেকে চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন বলে জানান বার্লিনের চিকিৎসকরা। পরে তাকে ভেন্টিলেটর থেকে সরিয়ে হাসপাতালের সাধারণ শয্যায় স্থানান্তর করা হয়।

প্রাথমিকভাবে নাভালনির সহযোগীদের ধারণা ছিলো টমেস্ক বিমানবন্দরে গ্রহণ করা চায়ের সঙ্গে তার ওপর বিষপ্রয়োগ করা হয়। পরে তারা জানান, তার অবস্থান করা হোটেল কক্ষে খালি পানির বোতলে নার্ভ এজেন্ট শনাক্ত করা গেছে। জার্মানি ছাড়াও ফ্রান্স, সুইডেনেও পরীক্ষা করে নাভালনিকে নোভিচক নার্ভ এজেন্ট প্রয়োগের সত্যতা নিশ্চিত হওয়া গেছে বলে জানিয়েছে জার্মান সরকার। কিন্তু ক্রেমলিন বলছে, এর কোনো প্রমাণ নেই।

সূত্র : বিবিসি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা