kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৩ কার্তিক ১৪২৭। ২৯ অক্টোবর ২০২০। ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

ভারতে কৃষি বিল নিয়ে বিক্ষোভ, বহিষ্কার ৮ সংসদ সদস্য

অনলাইন ডেস্ক   

২১ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১৩:১০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভারতে কৃষি বিল নিয়ে বিক্ষোভ, বহিষ্কার ৮ সংসদ সদস্য

কৃষি বিল নিয়ে বিক্ষোভের জেরে তৃণমূলের ডেরেক ও’ব্রায়েনসহ রাজ্যসভার আটজন সংসদ সদস্যকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কারের তালিকায় তৃণমূলের সংসদ সদস্য দোলা সেনও রয়েছেন। সেই সঙ্গে রয়েছেন কংগ্রেসের তিন সংসদ সদস্য। রবিবার ওই বিল পেশের পর নজরবিহীন বিক্ষোভ শুরু হয়। 

আম আদমি পার্টির একজন  এবং সিপিএমের দুই সংসদ সদস্যকেও সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। পাশাপাশিই, রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাবটিও খারিজ হয়ে গেছে। তৃণমূল ওই সিদ্ধান্তকে ‘গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করা’ বলে বর্ণনা করেছে।

এদিন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান বেঙ্কাইয়া নায়ডু ওই শাস্তির বিষয়টি ঘোষণা করেন। ডেপুটি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাবটি খারিজ করার পাশাপাশিই তিনি বলেন, ওই বহিষ্কার সংসদ সদস্যরা সামগ্রিকভাবে সভার অসম্মান করেছেন। ডেপুটি চেয়ারম্যানকে লক্ষ্য করে কটু মন্তব্য করেছেন। তাই সংসদের অধিবেশনের বাকি সময়ের জন্য তাঁদের সাসপেন্ড করা হচ্ছে। তৃণমূলের লোকসভার সংসদ সদস্য সৌগত রায় বলেন, আমি যদিও রাজ্যসভার সংসদ সদস্য নই, কিন্তু যেভাবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো, তা সংসদ সদস্যের গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করার শামিল। এটি একটি অগণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত।

কৃষি বিল নিয়ে সংসদে নরেন্দ্র মোদি সরকারকে প্রথম থেকেই চেপে ধরেছিল বিরোধী পক্ষ। সেই প্রতিবাদই চূড়ান্ত রূপ পায় রবিবার রাজ্যসভায় বিলটি পাস করানোর সময়।

সভায় গোলমালের পর ডেরেক বলেছিলেন, ‘সরকার সংসদীয় গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। সংসদের যাবতীয় আইন ভেঙেছে। তাঁরা কী আশা করে, এর পরেও বিরোধীরা সেটা বসে বসে দেখবে!’ বস্তুত, ওই প্রতিবাদের সময় রাজ্যসভায় বিরোধীদের মধ্যে একটা কক্ষ-ঐক্য এবং সমন্বয়ও চোখে পড়েছে। দেখা গিয়েছে, তৃণমূলের সঙ্গেই সুর মিলিয়ে সরব হয়েছে কংগ্রেস, আম আদমি পার্টি এবং সিপিএম। যার পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার সাসপেন্ড করা হয়েছে তৃণমূলের ডেরেক ও দোলাকে। তাদের সঙ্গেই তালিকায় আছেন কংগ্রেসের রাজীব শতাভ, রিপুন বরা এবং সৈয়দ নাসির হুসেন। সাসপেন্ড হয়েছেন সিপিএমের কে কে রাগেশ, এলাম আরাম করিম এবং আম আদমি পার্টির সঞ্জয় সিংহও।

সূত্র : আনন্দবাজার।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা