kalerkantho

মঙ্গলবার । ৪ কার্তিক ১৪২৭। ২০ অক্টোবর ২০২০। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

জীবন বাঁচাতে হংকং ছেড়ে পালানো মানুষের পাশে জাপান

অনলাইন ডেস্ক   

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১৫:৫৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জীবন বাঁচাতে হংকং ছেড়ে পালানো মানুষের পাশে জাপান

স্বাধীনতার দাবিতে হংকং-এর অধিবাসীদের বিশাল সমাবেশ, ফাইল ছবি।

চীনের বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল হংকংয়ে বিতর্কিত নতুন জাতীয় নিরাপত্তা আইন কার্যকর হওয়ার পর জীবন বাঁচাতে হংকং ছেড়ে পালাতে ইচ্ছুক নাগরিকদের সহায়তায় এগিয়ে এসেছে জাপানসহ বেশ কয়েকটি দেশ।

জাপানি গণমাধ্যম এনএইচকে ওয়ার্ল্ড-জাপান জানিয়েছে, হংকংয়ের অধিবাসীদের নিরাপত্তার জন্য জাপানি আইনজীবীরা একটি নিরপেক্ষ গ্রুপ গঠনের পরিকল্পনা তৈরি করছেন। গ্রুপটি সরকারকে ভিসা ছাড়াই হংকংয়ের অধিবাসীদের জাপানে থাকার সময়সীমা বাড়ানো এবং দেশটিতে কাজের সুযোগ সহজ করার আহ্বান জানাবে।

এনএইচকে ওয়ার্ল্ড আরো জানিয়েছে, সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী নাকাতানি, নিম্নকক্ষের সদস্য ইয়ামাও শিয়োরিসহ ওই গ্রুপের সদস্যরা গত ২৯ জুলাই থেকে কার্যক্রম শুরু করেছেন।

গত ৩০ জুন হংকংয়ের জন্য নতুন জাতীয় নিরাপত্তা আইন কার্যকর করে চীনের আইন প্রণেতারা। নতুন আইনে বিচ্ছিন্নতাবাদ, কেন্দ্রীয় সরকারবিরোধী কার্যক্রম, সন্ত্রাসবাদ এবং জাতীয় নিরাপত্তা বিপন্ন করে এমন যেকোনো কাজ শাস্তিমূলক অপরাধ। হংকংয়ের স্বাধিকার আন্দোলন দমনের লক্ষ্যেই আধা-স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলটির জন্য আইনটি তৈরি করে বেইজিং। নতুন আইনে উল্লিখিত অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে হংকংয়ে স্বাধীনতার দাবিতে তৈরি হওয়া ব্যাপক বিক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে বিতর্কিত এই জাতীয় নিরাপত্তা আইন কার্যকর করে বেইজিং। আইনটি পাস হওয়ায় চীন তার আধা স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলটির ওপর নতুন ক্ষমতা পেল। এই আইনকে হংকংয়ের বিশেষ স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধীনতার জন্য হুমকি হিসেবে বর্ণনা করে আসছেন অঞ্চলটির গণতন্ত্রপন্থীরা।

আইনটি  কার্যকর হওয়ার পরপরই এর আওতায় প্রথম গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটে হংকংয়ের স্বাধীনতার দাবিতে ব্যানার নিয়ে দাঁড়ানোর অভিযোগে। হংকংয়ের চীনপন্থী সরকার গণতন্ত্রপন্থী বেশ কয়েকটি বইও নিষিদ্ধ করেছে। এমনকি স্কুলগুলোকে তাদের সংগৃহীত বই নতুন করে পর্যালোচনা করে জাতীয় সুরক্ষা আইন লঙ্ঘন করতে পারে এমন বইপত্র বাতিল করার নির্দেশ দেয়।

১৯৯৭ সালে ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে চীনা শাসনের অন্তর্ভুক্ত হয় হংকং। তখন থেকে হংকং ‘এক দেশ, দুই নীতি’ পদ্ধতির আওতায় স্বায়ত্তশাসনের মর্যাদা ভোগ করে আসছে। হংকং চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল হলেও নিজস্ব বিচার বিভাগ, আইনসভা ও নিরাপত্তা বাহিনী রয়েছে।

সূত্র : এএনআই।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা