kalerkantho

বুধবার । ১৫ আশ্বিন ১৪২৭ । ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০। ১২ সফর ১৪৪২

ইসরায়েল-আমিরাত-বাহরাইন চুক্তি ‘নতুন মধ্যপ্রাচ্যের ভোর’

অনলাইন ডেস্ক   

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১১:৪২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ইসরায়েল-আমিরাত-বাহরাইন চুক্তি ‘নতুন মধ্যপ্রাচ্যের ভোর’

সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনের সাথে ইসরায়েলের ঐতিহাসিক চুক্তির দিনটিকে 'নতুন মধ্যপ্রাচ্যের ভোর' বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প । দুই উপসাগরীয় দেশ আরব আমিরাত ও ইসরায়েল নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রাখার চুক্তি স্বাক্ষরের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন  ট্রাম্প। আরব আমিরাত, ইসরায়েল ও বাহরাইন তিন দেশের মত  ট্রাম্পও এই চুক্তিকে ঐতিহাসিক হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন।

ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যস্থতাতেই এই চুক্তিটি সম্পন্ন হয়। ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল রাষ্ট্রের জন্ম হওয়ার পর বাহরাইন ও আরব আমিরাত তৃতীয় ও চতুর্থ উপসাগরীয় দেশ হিসেবে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিয়েছে। ট্রাম্প আশা প্রকাশ করেছেন যে অন্যান্য দেশও তাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করবে, তবে ইসরায়েলের সাথে দ্বন্দ্বের সমাধান হওয়ার আগ পর্যন্ত সেরকমটা যেন না হয় সেই আহ্বান জানিয়েছে ফিলিস্তিন।

বছরের পর বছর ধরে সিংহভাগ আরব দেশ ইসরায়েলকে বয়কট করে এসেছে। আরব দেশগুলোর বক্তব্য ছিল ফিলিস্তিনের সাথে ইসরায়েলের বহু বছর ধরে চলা দ্বন্দ্বের সমাধান হলেই কেবল তারা ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করবে।

মঙ্গলবার হোয়াইট হাউজে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে জড়ো হওয়া কয়েক'শো মানুষের উদ্দেশ্যে ট্রাম্প বলেন, "কয়েক দশকের বিভক্তি এবং সংঘাতের পর আমরা নতুন এক মধ্য প্রাচ্যের উত্থানের সূচনা করছি।"তিনি বলেন, আজ আমরা এখানে জড়ো হয়েছি ইতিহাস বদলে দিতে।"

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, "এই দিনটি ইতিহাস পরিবর্তনের ক্ষণ, শান্তির নতুন দিগন্তের সূচনা।

তবে ফিলিস্তিনের নেতা মাহমুদ আব্বাস বলেছেন, অধিকৃত অঞ্চল থেকে ইসরায়েল সরে গেলেই কেবলমাত্র মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব।, চুক্তি স্বাক্ষরের পর মাহমুদ আব্বাস এক বিবৃতিতে বলেন: ইসরায়েলের অধিগ্রহণের সমাপ্তি না হলে ঐ অঞ্চলে শান্তি, নিরাপত্তা এবং স্থিতিশীলতা ফিরবে না।

ওদিকে যখন চুক্তি স্বাক্ষর হচ্ছিল, সেসময়ও ইসরায়েল থেকে গাজা উপত্যকা থেকে দু'টি রকেট ইসরায়েলের দিকে নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা