kalerkantho

বুধবার । ১৫ আশ্বিন ১৪২৭ । ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০। ১২ সফর ১৪৪২

ভারতে ভয়াবহ হচ্ছে করোনা পরিস্থিতি, আক্রান্তের সংখ্যা অর্ধকোটি ছাড়িয়েছে

অনলাইন ডেস্ক   

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১১:১৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভারতে ভয়াবহ হচ্ছে করোনা পরিস্থিতি,  আক্রান্তের সংখ্যা অর্ধকোটি ছাড়িয়েছে

ভারতে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বেড়েই চলেছে। প্রতিদিনই লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। আক্রান্তের সংখ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের পরই দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে দেশটি। ১৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার রাজ্যসভায় দেওয়া ভাষণে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন বলেছেন, করোনার সঙ্গে লড়াই শেষ হতে এখনও অনেক দেরি আছে। আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটার জানিয়েছে, ভারতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা অর্ধকোটি ছাড়িয়েছে। সংস্থাটির হিসাবে, দেশটিতে এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৫০ লাখ ১৮ হাজার ৩৪। এর মধ্যে ৮২ হাজার ৯১ জনের মৃত্যু হয়েছে। 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন জানিয়েছেন, করোনা প্রতিরোধে এবং কভিড আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে আয়ুর্বেদিক ওষুধের পরীক্ষামূলক প্রয়োগের কথাও ভাবা হচ্ছে। পরপর কয়েক দিন দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ৯৫ হাজার পেরোলেও মঙ্গলবার সেই সংখ্যাটা কিছুটা কমে হয়েছে ৮৩ হাজার ৮০৯। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর)-এর ডিরেক্টর জেনারেল বলরাম ভার্গবের মতে, লকডাউনের জন্যই ভারতে সংক্রমণের লেখচিত্র বা মৃত্যুহার লাগামছাড়া হয়নি।

এদিকে করোনা থেকে সেরে ওঠার পরেও ফের সংক্রমিত হওয়ার ঘটনা প্রকাশ্যে আসছে। দ্বিতীয় বার সংক্রমণের বিষয়টি যদিও  খুব বিরল’। তা ঘটতে পারে, যেমনটা দেখা গেছে হংকংয়ে। তবে এ নিয়ে বেশি চিন্তার কিছু নেই।

সম্প্রতি আইসিএমআরের সেরো সার্ভে-তে শতাংশের হিসেবে দেখা গিয়েছিল, মে মাসেই ভারতের ৬৪ লাখ মানুষ করোনায় সংক্রমিত হয়েছে। তবে ভার্গবের বক্তব্য, ওই সার্ভে অনেক পুরনো। নতুন সমীক্ষা চলছে। তার ফলাফল পেলে বর্তমান পরিস্থিতি অনেকটাই স্পষ্ট হবে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব রাজেশ ভূষণের বক্তব্য, ভারতে কোভিড থেকে সেরে উঠেছেন ৩৮ দশমিক ৫ লাখ মানুষ।

জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য বলছে, সারা বিশ্বের মধ্যে ভারতেই সুস্থতার হার সর্বাধিক। দেশটিতে সুস্থতার হার এখন ৭৮ দশমিক ২৮ শতাংশ। মোট সংক্রমিতের সংখ্যার মাত্র ২০ শতাংশ । তাদের ৬০ শতাংশ রয়েছেন পাঁচটি রাজ্যে— মহারাষ্ট্র, কর্নাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ ও তামিলনাড়ু। ১৪টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এখন অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা পাঁচ হাজারের কম।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা