kalerkantho

শুক্রবার । ৩ আশ্বিন ১৪২৭। ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০। ২৯ মহররম ১৪৪২

করোনার টিকার জন্য যুক্তরাষ্ট্র কিংবা চীনকে বেছে নিচ্ছে এশিয়ার দেশগুলো?

অনলাইন ডেস্ক   

৬ আগস্ট, ২০২০ ১১:০৭ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



করোনার টিকার জন্য যুক্তরাষ্ট্র কিংবা চীনকে বেছে নিচ্ছে এশিয়ার দেশগুলো?

প্রতীকী ছবি

সারা বিশ্বে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে এক কোটি ৮৯ লাখ ৭৬ হাজার ৩৪০ জন এবং মারা গেছে সাত লাখ ১১ হাজার ২২২ জন। সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গবেষকরা দিন-রাত এক করে চেষ্টা করছেন করোনাভাইরাসের টিকা উদ্ভাবনের।

এরই মধ্যে ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপাইন টিকার জন্য বেইজিংয়ের ওপর ভরসা রেখেছে। অন্যদিকে সিঙ্গাপুর ও জাপান কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে। জানা গেছে, থাইল্যান্ড ও ভারত নিজেদের মতো করে টিকা উদ্ভাবনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকার ব্যাপারে কোন দেশ কাকে সমর্থন করবে, সে ব্যাপারে ভূ-রাজনীতি প্রধান ব্যাপার। সে অনুসারে নির্ধারণ হচ্ছে, টিকার ব্যাপারেও কোন দেশের সমর্থন কোন দিকে যাচ্ছে।

বিশ্বে ১৬০টির বেশি করোনা টিকা উদ্ভাবনের চেষ্টা চলছে। কিন্তু প্রথমে চীন, যুক্তরাষ্ট্র নাকি ব্রিটেন টিকা উদ্ভাবন করতে পারবে? মার্কিন ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানে অর্থ লগ্নি করেছে সিঙ্গাপুর।  যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন এবং জাপান মনে করছে, অ্যাস্ট্রাজেনেকা এবং ফাইজার করোনার টিকা নিয়ে আসতে পারবে।

অন্যদিকে ভারত নিজেদের মতো করে করোনার টিকা আবিষ্কারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। করোনাভাইরাসের কবলে সবার আগে পড়েছে চীন। গত জুলাই মাসেই দেশটি জানিয়েছে, তারা টিকা উদ্ভাবনের পথে। মানবদেহে পরীক্ষায় ভালো ফল পাওয়ার কথা জানিয়েছে চীনের সেনাবাহিনী।

বেইজিংভিত্তিক কম্পানি সিনোভ্যাক এবং রাষ্ট্রীয় সিনোফার্ম তৃতীয় ধাপের পরীক্ষা চালাচ্ছে। অন্যদিকে টিকা আবিষ্কারের জন্য পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে মার্কিন ওষুধ কম্পানি মডের্না।  এই প্রতিষ্ঠানের তৈরি টিকা নিতে চায় সিঙ্গাপুর।

এদিকে রাশিয়া দুটি টিকা নিয়ে কাজ করছে। তার একটি তৈরি করছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে জামালিয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউট এবং অন্যটি সাইবেরিয়াভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠান। তার মধ্যে প্রাথমিক পরীক্ষা শেষ করেছে জামালিয়া।

এদিকে এশিয়ার কিছু দেশ চীনের তৈরি টিকার ওপর ভরসা করছে। তবে এশিয়ারই কিছু দেশ পশ্চিমা বিশ্বে তৈরি টিকায় ভরসা রাখছে। এ বছরের এপ্রিল থেকে রাষ্ট্র পরিচালিত ওষুধ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে টিকা তৈরির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ইন্দোনেশিয়া। ইন্দোনেশিয়ার বায়োফার্মা কাজ করছে চীনের সিনোভ্যাকের সঙ্গে।

চীনের প্রতি ভরসা রেখেছে ফিলিপাইন। গত মাসে সে দেশের প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতার্তে বলেছেন, করোনার টিকা উদ্ভাবন হলে ফিলিপাইনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ব্যাপারে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে আহ্বান জানিয়েছি।

থাইল্যান্ড অবশ্য মার্কিন কম্পানি ফাইজারের টিকা ব্যবহার করতে পারে।  সিঙ্গাপুরে যেহেতু চিকিৎসাসামগ্রী পাঠিয়েছে চীন। সে ক্ষেত্রে টিকা আবিষ্কার হলে সেটাও সিঙ্গাপুরকে দিতে পারে বেইজিং। 

সূত্র : সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা