kalerkantho

সোমবার । ৬ আশ্বিন ১৪২৭ । ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০। ৩ সফর ১৪৪২

ঊর্ধ্বতনদের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ আনলেন বিএসএফ সদস্য

অনিতা চৌধুরী, কলকাতা প্রতিনিধি   

৬ আগস্ট, ২০২০ ০০:৫৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঊর্ধ্বতনদের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ আনলেন বিএসএফ সদস্য

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে উত্তর দিনাজপুরে বিএসএফের ১৪৬ নম্বর ব্যাটালিয়নের ক্যাম্পে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা নানা রকম দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত। বুধবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে এ কথা বলে সাড়া ফেলে দিয়েছেন কনস্টেবল উত্তম সূত্রধর। 

গতকাল উত্তমের গুলিতে মালদাখণ্ডের ওই ক্যাম্পের এক ইন্সপেক্টর ও কনস্টেবলের মৃত্যু হয়। পরে উত্তমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বুধবার কোর্টে নিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকরা উত্তমের কাছে জানতে চান, কেন তিনি নিজের দুই সহকর্মীকে খুন করেন। এর উত্তরে উত্তম তাঁর ক্যাম্পের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ আনেন।

'অনেক রকম দুর্নীতি চলছিল এই ক্যাম্পে। আমাদের খাবারের জন্য যে টাকা বা রসদ আসত, সেখান থেকেও চুরি হতো। আমি তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানোর পর আমার ওপর অমানুষিক অত্যাচার শুরু হয় বলে জানান উত্তম।

উত্তম আরো জানান, তাঁকে বেশি সময় ডিউটি দেওয়া হতো এবং বাড়িতে ফোন পর্যন্ত করতে দেওয়া হতো না। গতকাল মালদাখণ্ডের বিএসএফ ক্যাম্পের এই ঘটনার পর পুলিশ উত্তমকে গ্রেপ্তার করে। এক পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কোন অবস্থায় উত্তম সহকর্মীদের ওপর গুলি চালালেন, তা তাঁরা তদন্ত করে দেখবেন।

'কিছু স্থানীয় মানুষ আমাদের জানিয়েছে, উত্তম গুলি চালানোর সময় বারবার বলছিলেন, তিনি কোনো বিশ্বাসঘাতককে আর জীবিত রাখবেন না। উত্তমকে আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে চাইব- বিশ্বাসঘাতক বলতে তিনি কী বোঝাতে চেয়েছেন।' জানায় পুলিশের একটি সূত্র। 
উত্তর দিনাজপুরের এ ঘটনায় বিএসএফের কর্মকর্তারা বেশ বিড়ম্বনায়। বিএসএফের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারাও এ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছেন।

এক মনোরোগ বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন, কর্মক্ষেত্রে অত্যধিক স্ট্রেসের ফলে সেনাবাহিনী বা আধাসামরিক বাহিনীর লোকেরা হঠাৎ করে গুলি চালিয়ে দেন, কারণ তাঁদের হাতে অস্ত্র থাকে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা