kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৪ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০। ১১ সফর ১৪৪২

মধুচন্দ্রিমায় গিয়ে ৫ মাস বন্দি নবদম্পতি, বাড়ি ফিরলেন যেভাবে

অনলাইন ডেস্ক   

৫ আগস্ট, ২০২০ ১৩:০৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মধুচন্দ্রিমায় গিয়ে ৫ মাস বন্দি নবদম্পতি, বাড়ি ফিরলেন যেভাবে

বিয়ে করলেই মধুচন্দ্রিমার ভাগ্য সবার কপালে জুটে না। নিউজিল্যান্ডের এক নবদম্পতি বিয়েকে স্মরণীয় করতে গিয়েছিলেন ফকল্যান্ডে৷ এর পর থেকেই বন্দিদশায় কেটেছে পাঁচটি মাস।

 নেভিল ক্লিন্টন আর ফিওনা ক্লিন্টনের পঁচিশ বছরের সংসার৷ তিনটি সন্তানও আছে তাদের৷ কিন্তু ২৫ বছর একসঙ্গে সুখে-শান্তিতে বাস করলেও, তিন সন্তানের বাবা-মা হলেও এতদিন বিয়ে করেননি৷ বিয়েতে আস্থা না থাকার কারণেই এমন সিদ্ধান্ত ছিলো তাদের। তবে অবশেষে বিয়েটা করেই ফেললেন। ২০২০ সালের লিপইয়ার, অর্থাৎ ২৯ ফেব্রুয়ারি ২৫ বছরের পুরোনো জুটি গাঁটছড়া বাঁধলেন৷ সেদিনই হানিমুন করতে রওনা দিলেন নেভিলের জন্মভূমি ফকল্যান্ডের উদ্দেশ্যে।

শৈশবেই ফকল্যান্ড ছাড়লেও জন্মস্থানের প্রতি দুর্দমনীয় একটা আকর্ষণ ছিল ৫৯ বছর বয়সি নেভিলের৷সামাজিকভাবে সদ্য স্ত্রী হওয়া ফিওনাও চেয়েছিলেন কয়েকটা দিন চুটিয়ে আনন্দ করবেন সেখানে, তারপর যাবেন ব্রাজিলে, দক্ষিণ আমেরকিার সবচেয়ে আকর্ষণীয় অঞ্চলটা ঘুরে দেখে তারপর ফিরবেন অকল্যান্ডে নিজেদের বাড়িতে৷

কিন্তু ফকল্যান্ডে তাদের পৌঁছাতেই শুরু হয়ে গেল করোনার ভয়াবহ বিস্তার শুরু হলো প্রবীণ এক আত্মীয়ার সঙ্গে থেকে লকডাউন অবসানের দিন গোনা৷ তাস খেলে, আলবাট্রস আর ডলফিন দেখে দেখে কাটতে লাগল একের পর এক অনিশ্চয়তায় ভরা দিন৷ কিন্তু ফিরতে তো হবে৷ ফিরবেন কিভাবে

 অবশেষে ভাবলেন মাছধরা নৌকায় চড়ে ফিরবেন নিজ বাড়িতে। এক মাসেরও বেশি সময়ে আর্জেন্টিনা থেকে ৫০০ কিলোমিটার দূরের ফকল্যান্ড থেকে আটলান্টিকের স্রোত ভেঙে ৯,২০০ কিলোমিটার (৫০০০ নটিক্যাল মাইল) পেরিয়ে নিজের শহর অকল্যান্ডে ফিরলেন। এ যেনো পুরাই স্বপ্নের মত।

তবু করোনার সমস্ত বাধা পেরিয়ে ফিরেছেন সন্তানদের কাছে৷ করোনা পরীক্ষা করাতে হয়েছে ফিরেই৷ সুখবর-সুখি দম্পতির কাউকেই করোনাও ছুঁতে পারেনি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা