kalerkantho

সোমবার  । ১৯ শ্রাবণ ১৪২৭। ৩ আগস্ট  ২০২০। ১২ জিলহজ ১৪৪১

রামচন্দ্র ইস্যুতে ভারতের মুসলিম নেতাদের তোপের মুখে নেপালের প্রধানমন্ত্রী

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৬ জুলাই, ২০২০ ১৩:৫৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রামচন্দ্র ইস্যুতে ভারতের মুসলিম নেতাদের তোপের মুখে নেপালের প্রধানমন্ত্রী

নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি আসল অযোধ্যা নেপালে এবং হিন্দুদের দেবতা রামচন্দ্রকে নেপালি বলে মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে পড়েছেন। এবার ভারতের মুসলিম নেতারাও ওলির মন্তব্যের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন।

বাবরি মামলার একজন বাদি ইকবাল আনসারি বলেছেন, ওলি যা শুরু করেছেন, তাতে ভগবান হনুমানজি একবার খেপলে, আর রক্ষা নেই। গদার এক আঘাতে নেপালকে ধ্বংস করে দেবেন। যত যা-ই হোক, রাম যেখানে যান, হনুমানজি তো তাকে অনুসরণ করেন।

মুসলিম এই নেতা আরো বলেন, নেপালের প্রধানমন্ত্রী সম্ভবত দেশ এবং বিশ্বে অযোধ্যার গুরুত্ব সম্পর্কে জানেন না। সেজন্য এমন উদ্ভট মন্তব্য করেছেন। ওলি একবার অযোধ্যায় এলে, এর গুরুত্ব এবং তাৎপর্য উপলব্ধি করতে পারবেন।

মুসলিম আলেম সাইফ আব্বাসও ওলির অযোধ্যা বক্তব্যের নিন্দা করে বলেছেন, এমন মন্তব্য দুর্ভাগ্যজনক এবং অগ্রহণযোগ্য।

আব্বাসের ধারণা, ভারতে অশান্তি সৃষ্টির লক্ষ্যে চীন ও পাকিস্তানের ইশারায় এমন উদ্ভট মন্তব্য করছেন কেপি শর্মা ওলি। নেপালের প্রধানমন্ত্রী নিজেকে অন্যের হাতের পুতুল করে তুলছেন। পড়শি প্রধানমন্ত্রীর উচিত নিজের বক্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়ে, তা প্রত্যাহার করা।

রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সাধু-সন্ন্যাসীরাও ক্ষেপেছেন। তাদের প্রশ্ন, এত দিন ধরে এত লড়াই করে এখানে মন্দির কি এমনিই তৈরি করছি আমরা? সোশ্যাল মিডিয়ায় এক করসেবকের কটাক্ষ, তাহলে তো বাবরি মসজিদ ভাঙারও প্রয়োজন ছিল না। মন্দির গড়া যেত নেপালেই।

নেপালের প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যে ক্ষুব্ধ বিজেপি। বিজেপির মুখপাত্র বিজয় সোনকর শাস্ত্রী কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, ভগবান রাম আমাদের কাছে গভীর বিশ্বাসের বিষয়। তা নিয়ে কারো ছেলেখেলা মেনে নেওয়া হবে না। তা সে তিনি নেপালের প্রধানমন্ত্রী হলেও।

উত্তরপ্রদেশের উপ-মুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রকাশ মৌর্যের কথায়, মানসিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গেছেন ওলি। তার জানা উচিত, নেপাল আর্যাবর্তের অংশ ছিল। এমন মন্তব্য করার আগে জরুরি ছিল ইতিহাস পড়া।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা