kalerkantho

রবিবার। ১ ভাদ্র ১৪২৭। ১৬ আগস্ট ২০২০। ২৫ জিলহজ ১৪৪১

মানবদেহে পরীক্ষা হতে যাচ্ছে কৃষকের ছেলের তৈরি টিকা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৮ জুলাই, ২০২০ ১২:৪৯ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



মানবদেহে পরীক্ষা হতে যাচ্ছে কৃষকের ছেলের তৈরি টিকা

সারাবিশ্বে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে এক কোটি ১৯ লাখ ৫০ হাজার ৪৪ জন এবং মারা গেছে পাঁচ লাখ ৪৬ হাজার ছয়শ ২২ জন। দেশ হিসেবে সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র; তারপরই রয়েছে ব্রাজিল ও ভারতের নাম।

করোনাভাইরাসের টিকা সারাবিশ্বের মানুষের কাছে এখন সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত জিনিস। বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীরা নিজেদের সামর্থ অনুযায়ী এই জীবনদায়ী টিকা উদ্ভাবনের জন্য দিন-রাত এক করে কাজ করছেন। 

ভারতও পিছিয়ে নেই। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, ১৫ আগস্ট টিকা আবিষ্কারের সুখবর শোনাতে পারে দেশীয় সংস্থা ভারত বায়োটেক। 

মানবদেহে পরীক্ষার জন্যও অনুমতি দেওয়া হয়েছে। হায়দরাবাদের এই সংস্থার গবেষণা চিকিৎসাশাস্ত্রের নতুন পথ খুলে দিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। আর এই টিকা আবিষ্কারের নেশায় কাজ করছেন একজন কৃষকের ছেলে। ড. কৃষ্ণা এলা। 

তার তৈরি ছোট্ট একটা ল্যাব এখন বড় একটি সংস্থায় রূপান্তরিত হয়েছে। সেই কেম্পানি এখন করোনার টিকা আবিষ্কারের দাবি করছে।

১৫ আগস্ট লঞ্চ হতে পারে এই টিকা। এরই মধ্যে এই টিকা নিয়ে অনেক প্রশ্ন উঠেছে। কেউ কেউ বলেছেন, কেন ১৫ আগস্ট! তার আগে কেন নয়! অনেকেই আবার বলেছেন, এত তাড়াহুড়ো করে টিকা লঞ্চ করলে ক্ষতির আশঙ্কা বেশি। তবে এসব বিতর্কের মাঝে ভারত বায়োটেক নিজের কাজ করে চলেছে। ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব ভাইরোলজি ও ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ-এর সহযোগিতায় এই টিকা নিয়ে কাজ করছে হায়দরাবাদের ওই সংস্থা। 

এর আগেও ওই সংস্থা প্রচারের আলোয় এসেছিল। সবচেয়ে সস্তায় হেপাটাইটিসের টিকা আবিষ্কার করেছিল তারা। এমনকী জিকা ভাইরাসের টিকাও আবিষ্কার করে বিশ্ববাসীকে উপহার দিয়েছিল এই সংস্থা।

এই সংস্থার জন্মদাতা ডা. কৃষ্ণান তামিলনাড়ুর থিরুথানির মানুষ। কৃষক পরিবারের ছেলে তিনি। চাষবাস নিয়ে পড়াশোনা শুরু করেছিলেন তিনি। কিন্তু আর্থিক দিক থেকে পিছিয়ে থাকায় কৃষি নিয়ে পড়াশোনা এগোয়নি। 

পরে তিনি একটি কেমিক্যাল ও ফার্মাসিউটিকল সংস্থায় যোগ দেন। পরে স্কলারশিপ পেয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা করতে যান। সেখানেই তিনি একের পর এক বড় সংস্থায় চাকরি পান। 

কিন্তু ডা. কৃষ্ণানের মা চাইতেন ছেলে যেন দেশে ফিরে কাজ করে। এর পরই মায়ের কথা শুনে তিনি দেশে ফেরেন। তার পর ভারত বায়োটেক নামে একটি ল্যাব খোলেন। সেই ল্যাব এখন আস্ত একটি সংস্থা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা