kalerkantho

শুক্রবার । ২৩ শ্রাবণ ১৪২৭। ৭ আগস্ট  ২০২০। ১৬ জিলহজ ১৪৪১

ভারতে বিপুল চাহিদার পরও পাওয়া যাচ্ছে না রেমডিসিভির

কালো বাজারে দাম ৬ গুণ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৭ জুলাই, ২০২০ ১৫:৪৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভারতে বিপুল চাহিদার পরও পাওয়া যাচ্ছে না রেমডিসিভির

ভারতে বিপুল চাহিদার পরও পাওয়া যাচ্ছে না রেমডিসিভির। তবে কালো বাজারে করোনার এই ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে নির্দিষ্ট দামের ছয়গুণ বেশিতে। দেশটির মুম্বাই, রাজধানী দিল্লিসহ বহু জায়গাতেই এমন পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ঘাটতির মধ্যেই একটা অংশ কালোবাজারে চলে গেছে, চড়া দাম চাইছেন অসাধু ব্যবসায়ীরা।

দেশটির স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে জানানো হয়, গত সপ্তাহে করোনা ধরা পড়েছে ৩৮ বছর বয়সী রাজীবের। মুম্বাইয়ের নামকরা একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। চিকিৎসকরা পরিস্থিতি বুঝে অক্সিজেন চালিয়ে দেন। আর ওষুধ হিসেবে রেমডিসিভির চালু করার কথা বলেন। পাঁচ দিন রেমডিসিভির চলার কথা রাজীবের। প্রথম দিন ২০০ মিলিগ্রাম ইন্ট্রাভেনাস ইঞ্জেকাশান, পরের দিন গুলোতে ১০০ মিলিগ্রাম করে। দ্রুত ওষুধ কিনতে গিয়ে আকাশ থেকে পড়েন রাজীবের পরিবার। হাসপাতাল জানায় স্টক ফুরিয়েছে, বাইরের বেশির ভাগ দোকানই তাদের ফিরিয়ে দেয়। অনেকে বলেন পাঁচদিন অপেক্ষা করতে।

এই সময়ে কালোবাজারিরা আসরে নেমে দর হাঁকানো শুরু করেন। এক ডোজ (১০০ মিলিগ্রাম) রেমডিসিভির ৩০ হাজার টাকা। প্রভাব খাটিয়ে রাজীবের জন্য হেটেরো নামক রেমডিসিভির উৎপাদকের ঘর থেকে দু' ডোজ ওষুধ জোগাড় করা যায়। কিন্তু সকলের ক্ষমতা রাজীবের পরিবারের মতো নয়। এই ঘটনা চোখে আঙুল দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছে তুমুল চাহিদার মুখে রীতিমতো আকাল লেগছে রেমডিসিভিরের। মূল দামের তুলনায় ছ'গুণ দামে ওষুধ বিক্রি করছে কালোবাজারিরা।

দিল্লি-মুম্বাইয়ে ম্যাক্স বা ফর্টিজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ স্পষ্টই জানাচ্ছেন, রেমডিসিভির নেই। এদিকে, ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৭ লক্ষ ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে সক্রিয় আক্রান্ত অন্তত আড়াই লক্ষ। এদের মধ্যে আশঙ্কাজনক রোগীদের ক্ষেত্রে অক্সিজেনের পাশাপাশি রেমডিসিভির ব্যবহারের অনুমোদন মিলেছে ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অব ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে।

ভারতের নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন পেয়ে হেটেরো ও সিপ্লা উৎপাদনে নামে। কিন্তু চাহিদা অনুযায়ী জোগান দিতে পারছে না কেউই। সিপ্লার রেমডিসিভিরের দাম প্রতি ১০০ মিলিগ্রাম ৪০০০ টাকা। আর হেটেরোর একই পরিমাণ রেমডিসিভিরের বাজারমূল্য ৫৪০০ টাকা। কিন্তু সেই টাকা খরচ করলেও ওষুধ পাওয়া যাবে না। হেটেরো সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, রেমডিসিভির প্রস্তুত করা জটিল প্রক্রিয়া, ফলে সময় লাগে বেশি। জুলাইয়ের মাঝামাঝি বাজারে ১ লাখ রেমডিসিভির সরবরাহ করবে হেটরো।

সূত্র: নিউজ এইটিন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা