kalerkantho

শনিবার । ১১ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০। ৮ সফর ১৪৪২

লকডাউন ভেঙে পার্টিতে, অতঃপর করোনায় মৃত্যু

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩ জুলাই, ২০২০ ২১:০৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



লকডাউন ভেঙে পার্টিতে, অতঃপর করোনায় মৃত্যু

করোনার কারণে জারি করা লকডাউন না মেনে বেরিয়ে পড়লেন বন্ধুদের সঙ্গে পার্টি করতে। তার এমন বোকামি বড় বিপদ ডেকে আনল। একটা ভুলের মাশুল দিতে হলো প্রাণ দিয়ে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দা থমাস মেসিয়ামের প্রাণ হারালেন করোনায় আক্রান্ত হয়ে।

মারা যাওয়ার আগে ফেসবুক পোস্টে তিনি সবাইকে সচেতেন করে দিয়ে গেছেন। থমাস মেসিয়াম জানিয়েছেন, করোনাভাইরাসকে যেন কেউ হালকাভাবে না নেন। এই ভাইরাস যে কতটা মারাত্মক হতে পারে তা তিনি আক্রান্ত হবার পর বুঝতে পারছেন। একটা সামান্য ভুল বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে। ফেসবুক পোস্ট করার একদিন পরই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন ৫১ বছর বয়সী থমাস। 

পেশায় ট্রাক ড্রাইভার ছিলেন তিনি। লকডাউন চলাকালে তিনি বাড়িতেই ছিলেন বলে জানিয়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু মে মাসের শেষের দিকেই বন্ধুদের ডাকে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন থমাস। এরপর বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে এক জায়গায় বারবিকিউ পার্টিতে মেতে ওঠেন। ওই পার্টির কয়েকদিন পরেই থমাস অসুস্থ হয়ে পড়েন। জ্বর, শ্বাসকষ্ট, হাতে-পায় ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। এরপরই করোনা টেস্টে পজিটিভ হন তিনি। 

গত ২০ জুন ফেসবুকে একটি পোস্ট করে থমাস লেখেন, ‘কয়েক সপ্তাহ আগেই আমি বন্ধুদের সঙ্গে পার্টিতে মেতে ছিলাম। ওই পার্টি থেকে আসার পরে আমার শরীর অসুস্থ হয়। নিজের বোকামির জন্য আমি আমার মা, বোন এবং পরিবারের অন্য সদস্যদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছি। নিজের করা একটা ভুলের জন্য আমারও প্রাণ সংশয় দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে একটা ভুলও মারাত্মক বিপদ ডেকে আনতে পারে। আপনারা দয়া করে বাড়ি থেকে বের হবেন না। এই ভাইরাসকে হালকাভাবে নেবেন না। যদি একান্তই বাড়ি থেকে বের হতে হয় তা হলে মাস্ক পড়ুন। অবশ্যই সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। ঈশ্বর আপনাদের নিশ্চয়ই রক্ষা করবেন।’ 

থমাসের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, ওই পার্টিতে তার এক বন্ধু এসেছিল। সেই বন্ধু করোনা আক্রান্ত ছিল। তার থেকেই সংক্রমণ ছড়িয়েছে। 

সূত্র: জি-নিউজ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা