kalerkantho

বুধবার । ৩১ আষাঢ় ১৪২৭। ১৫ জুলাই ২০২০। ২৩ জিলকদ ১৪৪১

সিঙ্গাপুরে সবাইকে 'ভাইরাস ট্রেসিং ডিভাইস' সঙ্গে রাখতে হবে!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৫ জুন, ২০২০ ১৮:৪২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সিঙ্গাপুরে সবাইকে 'ভাইরাস ট্রেসিং ডিভাইস' সঙ্গে রাখতে হবে!

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে সফল একটি দেশ সিঙ্গাপুর। প্রথমদিকে যে কয়েকটি দেশে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে, সিঙ্গাপুর তার মধ্যে একটি। তবে সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টা ও প্রযুক্তির ব্যবহারে ভাইরাসের বিস্তারে লাগাম পরাতে সক্ষম হয়েছে দেশটি। এবার দেশের সব নাগরিকের জন্য পরিধানযোগ্য 'ভাইরাস ট্রেসিং ডিভাইস' চালু করতে যাচ্ছে সিঙ্গাপুর। এই ব্যবস্থা চালু হলে ভাইরাসের সংক্রমণের শিকার ব্যক্তিদের সহজেই শনাক্ত করা যাবে এবং অন্যদের ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে মুক্ত রাখা যাবে।

সিঙ্গাপুর সরকার দেশের ৫৭ লাখ মানুষের সবাইকে এই পরিধানযোগ্য ডিভাইস দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। যাতে করোনা সংক্রমিত হয়েছিল এমন ব্যক্তিদের সহজেই সনাক্ত করা যায়। ফলে দেশের অভ্যন্তরে ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে নাগরিকরা বাধা ছাড়াই নিরাপদে ভ্রমণ করতে সক্ষম হবে।

করোনা সনাক্তের ছোট্ট এই ডিভাইসগুলো সুতা দিয়ে পরা যাবে। আবার হ্যান্ডব্যাগেও বহন করা যেতে পারে। এটিতে পূর্ববর্তী স্মার্টফোন ভিত্তিক সিস্টেমটির কিছু ব্যবস্থাও ব্যবহার করা হবে। তবে এই 'ভাইরাস ট্রেসিং ডিভাইস' ব্যবহার নাগরিকদের গোপনীয়তা ভঙ্গ করবে কিনা সেটা নিয়ে উদ্বেগকে আরো বাড়িয়ে তুলেছে।

করোনা নিয়ন্ত্রণে সফল এশিয়ার ক্ষুদ্র এই দেশটি তাদের অর্থনীতি নিরাপদে পুনরায় চালু করার জন্য প্রযুক্তি ব্যবহারের চেষ্টা করছে।

শুক্রবার দেশটির স্মার্ট জাতি উদ্যোগ মন্ত্রী ভিভিয়ান বালাকৃষ্ণান বলছিলেন, 'সিঙ্গাপুর শিগগিরই ডিভাইসটি চালু করবে, এটির জন্য কোনো স্মার্টফোনের দরকার পড়বে না এবং দেশের সব নাগরিকের মাঝে এটা বিতরণ করা হবে।' তবে ডিভাইসটি বহন করা বাধ্যতামূলক হবে কিনা তা সরকার এখনো নির্দিষ্ট করে দেয়নি বলে জানান মন্ত্রী।

বালাকৃষ্ণান বলেছিলেন, 'সরকারের পূর্ববর্তী স্মার্টফোন ভিত্তিক 'ট্রেস টুগেদার' অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যবহারের সময় বেশ কিছু সমস্যার মুখোমুখি হয়েছিল। বিশেষত অ্যাপল ডিভাইসে, যেখানে অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যাকগ্রাউন্ডে চললে ব্লুটুথ স্ক্যানিং স্থগিত হয়ে যেত। অ্যাপলের সাথে বারবার আলোচনা করেও সমস্যার সমাধান করা যায়নি।'

উল্লেখ্য, সিঙ্গাপুরে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ৩৭ হাজার ১৮৩ জন। এদের মধ্যে মারা গেছে মাত্র ২৪ জন। সুস্থ হয়ে ফিরেছে ২৩ হাজার ৯০৪ জন।

সূত্র- রয়টার্স।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা