kalerkantho

শনিবার । ২৭ আষাঢ় ১৪২৭। ১১ জুলাই ২০২০। ১৯ জিলকদ ১৪৪১

চীনা সেনা সদস্যকে মারধর করেছিলেন ভারতীয় সেনা সদস্যরা?

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২ জুন, ২০২০ ২১:২৫ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



চীনা সেনা সদস্যকে মারধর করেছিলেন ভারতীয় সেনা সদস্যরা?

মহামারি করোনার তাণ্ডবের মধ্যেই উত্তর-পূর্ব সীমান্তে মুখোমুখি চীনা ও ভারতের সেনারা। গত সপ্তাহের শুরুতেও লাদাখ অঞ্চলে তিব্বত সংলগ্ন সীমান্তে উত্তেজনা বড়তে থাকে। এরই মধ্যেই একটি ভিডিও সামনে এসেছে।

ভিডিওতে দেখা যায়, ভারতের সেনা সদস্যরা চীনের এক সেনা সদস্যকে মারধর করছেন। ধারণা করা হচ্ছে, দুই সপ্তাহ আগে প্যাংগং লেক নামক এলাকায় ভিডিওটি ধারণ করা হয়। তবে এই ভিডিওটির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠছে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে মারধরের বিষয়টি জোরালোভাবে অস্বীকার করা হয়েছে। 

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, ভারতের সীমান্তের ভেতরে চীনের এক সেনাকে মাটিতে ফেলে মারধর করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে চীনের এক অস্ত্র সজ্জিত গাড়িতে আঘাত করা হচ্ছে। তবে ভারতীয় সেনা বলছে এই ভিডিওটি ভুয়া। ভারতীয় সেনাবাহিনী স্থানীয় গণমাধ্যমকে হুঁশিয়ারি দিয়ে জানায়, ভুয়া ফুটেজ প্রচার করলে সীমান্তের বর্তমান পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে পারে। 

প্যাংগং লেকের সাম্প্রতিক ভিডিওটির কোনো তারিখ দেওয়া নেই। হতে পারে অযৌক্তিক। তবে বলা হচ্ছে, ভারতীয় বাহিনী সম্ভবত ইন্দো-তিব্বত নিরাপত্তাবাহিনী এক চীনা সৈন্যকে আক্রমণ করে দেখানোর পরিকল্পনা করেছে। এই ভিডিওটি টুইটারে যেখানেই প্রচারিত হয়েছে সেখানে চীনা অ্যাকাউন্ট রয়েছে। তাই ধারণা করা হচ্ছে, এই ভিডিওটি কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে প্রচার করা হয়ে থাকতে পারে।

বর্তমানে চীন-ভারত উত্তেজনা বাড়ছেই। ১৯৭০ সালের পর চীন-ভারত কোনো যুদ্ধ হয়নি। তবে বেশ কয়েকবার ডোকালম দিয়ে হাতাহাতি হয়। কিন্তু সত্তর দশকের পর গুলি চলেনি সীমান্তে। এদিকে, সম্প্রতি চীন-ভারত উত্তেজনা বাড়ে ৯ মে। এদিন সিকিম রাজ্যে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে দুই দেশের কয়েক ডজন সেনা সদস্য আহত হন। 

এই দু’দেশের উত্তেজনার কেন্দ্র এখন লাদাখ সীমান্ত। গালওয়ান উপত্যকার চারপাশে সেনা উপস্থিতি বাড়াচ্ছে দুই দেশ। কিন্তু ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ নারায়ণ 'অস্থায়ী ও স্বল্প-সময়ের মুখোমুখি অবস্থা’ অস্বীকার করেছেন।

উত্তেজনা নিয়ে উভয় পক্ষই একে অপরকে দোষারোপ করছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই অঞ্চলে ভারতের নতুন রাস্তা তৈরি করছে। এটিই বিরোধের কারণ হতে পারে। উভয় পক্ষই এই অঞ্চলে শক্তিবৃদ্ধি এবং ভারী সরঞ্জাম প্রেরণ করেছে।

এই অঞ্চলের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সরাসরি মন্তব্য করেনি চীন। তবে তাদের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, চীনা সেনারা এই অঞ্চলে ধারাবাহিকভাবে শান্তি ও প্রশান্তি বজায় রেখে চলছে।

সূত্র: ডেইলি মেইল।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা