kalerkantho

রবিবার । ২১ আষাঢ় ১৪২৭। ৫ জুলাই ২০২০। ১৩ জিলকদ  ১৪৪১

তরুণ বিক্ষোভকারীর কবরকে অসম্মান করেছে ইরান, পিতার দাবি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩০ মে, ২০২০ ১৫:৪৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



তরুণ বিক্ষোভকারীর কবরকে অসম্মান করেছে ইরান, পিতার দাবি

পৈয়া বখতিয়ার (ইনসেটে)

গত নভেম্বরে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানে সরকারবিরোধী ব্যাপক বিক্ষোভ চলাকালে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে এক তরুণ নিহত হন। নিহত এই তরুণের বাবার দাবি, তার সমাধিকে অপবিত্র (অবমাননা/অসম্মান) করা হয়েছে।  

তরুণের বাবার নাম মনুচেহর বখতিরি। শুক্রবার ইনস্টাগ্রাম পেজে পোস্ট করা একটি ভিডিও বার্তায় মনুচেহর বখতিরি বলেন, ন্যায়বিচার চেয়ে আমাদের প্রেরিত বার্তায় (সরকার) ভয় পেয়েছে।গতকাল তারা (ইসলামী প্রজাতন্ত্রের এজেন্ট)  আমার ছেলে পৈয়া বখতিয়ারের মাজারে গিয়েছিল।তারা তাকে অসম্মান করে সমাধি ভাঙচুর করেছে।তার মা, বোন এবং আত্মীয়দের হুমকি দিতে ও দমন করতে আবেগকে উসকে দেওয়া হয়েছে।

তবে  'অসম্মান' বা 'অবমাননা' সম্পর্কিত  বিশদ বিবরণ দেননি বাখতিয়ার। 

১৬ নভেম্বর পৈয়া বখতিয়ারকে মাথায় গুলি করা হয়েছিল। সম্ভবত কোনও সরকারী 'স্নাইপার' এ কাজ করেছে।

তেহরানের কাছে কারাজে তিনি তার মা ও বোনকে নিয়ে রাস্তায় শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করতে গিয়ে গুলিবদ্ধ হন। 

এরপর থেকে তার বাবা ঝুঁকিপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়ে ন্যায়বিচারের দাবি করে আসছেন। 

এ ধরনের দাবিতে ইরানে যে কাউকে সহজেই কারাগারে প্রেরণ করা যায়।  

তিনি বিচার চেয়ে ভিডিও প্রকাশ করেছেন, বিদেশী গণমাধ্যমগুলিকে সাক্ষাত্কার দিয়েছেন এবং রাজতন্ত্রে ফিরে আসার পক্ষে সমর্থন জানিয়ে সরকারে পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়েছেন। 

কর্তৃপক্ষ একবার তাঁকে এবং তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছিল।কিন্তু পরে তারা তাদের মুক্তি দিয়েছে। 

নিজের ইনস্টাগ্রাম বার্তায় মানুশেহর বখতিরি জানান, তাঁর প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে।তাঁর প্রচেষ্টা একটি জাতীয় দাবিতে পরিণত হবে। 

ইতিমধ্যে তিনি ইরানে সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব হয়ে উঠেছেন। সরকার বিরোধীদের প্রিয় ব্যক্তি হয়ে উঠেছেন তিনি। 

ইরান-ইরাক ধ্বংসাত্মক যুদ্ধে (১৯৮০-৮৮) পাঁচ বছর লড়াই করেছেন বখতিরি। 

কিছু দিন আগে ইন্সটাগ্রামে নিজের একটি ছবি পোস্ট করেছিলেন তিনি। সেখানে দেখা গেছে, ত্রি-বর্ণের সিংহ ও সূর্যের মানচিত্র ইসলামি বিপ্লব-পূর্ব ইরানের পতাকা ধরে আছেন তিনি। 

সূত্র : রেডিও ফার্দা 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা