kalerkantho

রবিবার । ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৩১  মে ২০২০। ৭ শাওয়াল ১৪৪১

অন্তত শিশুদের টার্গেট করেনি, ধর্ষকের পক্ষে প্রেমিকা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২২ মে, ২০২০ ১২:১৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অন্তত শিশুদের টার্গেট করেনি, ধর্ষকের পক্ষে প্রেমিকা

ধর্ষণের ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে সাজাভোগ করা নিকোলাস রোডনি ট্রয় ম্যাকডোনাল্ড-এর প্রেমিকা তার পক্ষে কথা বলেছেন। ওই নারীর দাবি, প্রেমিক নিকোলাস আর আগের মতো নেই। এখন একেবারে অন্য মানুষ হয়ে ফিরে এসেছে। এখন তার নাম ফকনার।

প্রেমিকার দাবি, ২০১০ সালে যখন ফকনার তিনজন নারীকে আটকে রেখেছিল, তখন তারা শিশু ছিল না।  

২০১০ সালে অস্ট্রেলিয়ার পার্থ শহরের জনডিপ রেল লাইনের পাশে তিনজন নারীকে দুদিন ধরে আটকে রাখেন ফকনার। সেই তিন নারীর মধ্যে দু'জনকে তিনি যৌন নিপীড়ন করেন।

করোনাভাইরাস ছড়িয়ে যাওয়ার জেরে বর্তমানে ফকনার জামিনে ছাড়া পেয়েছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তাকে আবারো কারাগারে ফিরে যেতে হতে পারে। 

কারাগার থেকে বেরিয়ে আসতেই গণমাধ্যমকর্মীরা তার পিছু নিয়েছেন। কিন্তু ফকনারের প্রেমিকা বলছেন, ফকনার চাইলে বড় ধরনের অপরাধও করতে পারতো। ওই সময় সে কোনো শিশুকে শিকার হিসেবে বেছে নিতে পারতো। কিন্তু সে তা করেনি। আর এখন একেবারেই বদলে গেছে। অন্য মানুষ হয়ে বাড়ি ফিরে এসেছে। নিজের জীবন এখন সে নতুন করে কাটাতে চাই।

তিনি বলেন, ভুক্তভোগীরা অন্তত শিশু ছিল না। সে চাইলে শিশুদের সঙ্গে অপরাধ সংঘটিত করতে পারতো। সে কিন্তু তা করেনি। সে আগে যা করেছে, ভবিষ্যতে আর সে রকম কিছু ঘটাবে না। অতীতের ঘটনার জন্য সে দুঃখিত। অনেকদিন কারাভোগ শেষে সে এখন নতুন জীবন শুরু করতে চাই। সে অনেক সময় আটকে থেকেছে। এখন একটু সবাই তাকে মুক্তি দিন।

২০১০ সালেই দোষী সাব্যস্ত হয়ে কারাগারে যান ফকনার। অস্ট্রেলিয়ায় তাকে যৌন নিপীড়ক হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

চলতি মাসের শুরুর দিকে ফকনার জেল থেকে বের হতেই নড়েচড়ে বসেছে অস্ট্রেলিয়ার বিপজ্জনক যৌন অপরাধী মনিটরিং কমিটি (ডিএসওআরসি)। তারা চায়, ফকনারের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণে রাখতে। এমনকি ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে তার চলাচল নজরদারিতে রাখারও সুপারিশ করা হয়েছে।

সূত্র : নিউজিল্যান্ড হেরাল্ড

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা