kalerkantho

শনিবার । ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৩০  মে ২০২০। ৬ শাওয়াল ১৪৪১

৫০০ রুপির কড়কড়ে ২ নোট রাস্তায়, করোনা ছড়ানো হচ্ছে?

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১০ এপ্রিল, ২০২০ ১৬:৪১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



৫০০ রুপির কড়কড়ে ২ নোট রাস্তায়, করোনা ছড়ানো হচ্ছে?

মহামারি করোনা আতঙ্কে পুরো বিশ্ব। এরই মধ্যে কিছু অসৎ লোক ভাইরাসটি ছড়িয়ে দিতে রাস্তায় ফেলে রাখছে করোনা জীবাণু সংক্রমিত ৫০০ রুপির কড়কড়ে নোট! সম্প্রতি এমনি আশ্চর্যজনক ঘটনা ঘটেছে ভারতের লখনউয়ের পেপার মিল কলোনিতে। সেখানকার রাস্তায় দুটি ৫০০ রুপির নোট পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার রাতে কলোনির রাস্তায় দুটি ৫০০ রুপির নোট পড়ে থাকতে দেখে বাসিন্দারা হেল্পলাইনের মাধ্যমে পুলিশকে কল করে। তারা নোটগুলি জব্দ করে। স্থানীয় লোকজন জোর দিয়ে দাবি করেছে যে, নোটগুলি করোনভাইরাস ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য রাস্তায় ফেলে দেওয়া হয়েছিল।

পুলিশ জব্দ করা নোটগুলি আলাদাভাবে রেখেছে। স্থানীয় এক চিকিৎসকের পরামর্শে পুলিশ নোটগুলিকে ২৪ ঘণ্টার জন্য আলাদা রাখা হয়েছে।

পেপার মিল কলোনির বাসিন্দারা গভীর রাত পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় মেতে ছিল। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বাসিন্দারা রুপির মাধ্যমে করোনা ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকির বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছিল। পরে পুলিশ তাদের বাড়ি ফিরতে বললে তারা ফিরে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, সাধারণ সময় হলে ৫০০ রুপির এমন কড়কড়ে নোট বেশি সময় রাস্তায় পড়ে থাকতো না।  যে কোনও পথচারী চুপচাপ এটি তুলে নিয়ে নিঃশব্দে চলে যেতেন।

এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেছেন, আতঙ্ক ছড়ানোর উদ্দেশ্যে এমনটা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে এমন একটি ভিডিও হোয়াটসঅ্যাপে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

ভিডিওটিতে দেখা যায়, একটি ছেলে বাসার ডোরবেলের শব্দ শুনে দরজা খুলতে যায়, দরজা খুলেই দেখে বাইরে দোয়ালের উপরে একটি ৫০০ রুপির নোট পড়ে আছে। তা দেখে সে দ্রুত দরজা বন্ধ করে দেয় এবং তার মাকে বিষয়টি জানায়। এরপর ছেলেটি সুরক্ষা পোশাক পরে হাতে স্যানিটাইজার বোতল নিয়ে সতর্কতার সাথে দরজা খোলে এবং নোটে পর্যাপ্ত স্যানিটাইজার স্প্রে করে। তারপরে তিনি ধীরে ধীরে প্রতিবেশীর দরজায় নোটটি রেখে আসে।

ভিডিওটি নোটের মাধ্যমেও করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে এই বিশ্বাসের সত্যতা নিশ্চিত করতে চাইছে। তবে, ভিডিওটি কারা ছেড়েছে সেটা সনাক্ত করার কোনও পদক্ষেপ এখনো নেওয়া হয়নি। এরই মধ্যে কলোনির দুটি ৫০০ রুপির নোট পাওয়া গেল।

সূত্র- নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা