kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ২৯  মে ২০২০। ৫ শাওয়াল ১৪৪১

যুদ্ধকালীন তৎপরতায় তৈরি হচ্ছে ‘করোনার ওষুধ'!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৯ এপ্রিল, ২০২০ ১১:১৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



যুদ্ধকালীন তৎপরতায় তৈরি হচ্ছে ‘করোনার ওষুধ'!

করোনাভাইরাসের কারণে ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র

করোনাভাইরাসের কারণে ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র।সেখানে প্রতিদিন শত শত মানুষের মৃত্যু হচ্ছে।এদিকে, যে হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন দিয়ে করোনাকে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে, সেই ওষুধও নেই মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে। এই বিপদের দিনে ট্রাম্পের পাশে দাঁড়িয়েছে গুজরাট সরকার। গুজরাটের তিনটি সংস্থাকে যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ওই তিন সংস্থাই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় ওষুধ তৈরির কাজ শুরু করেছে।

গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপাণি জানিয়েছেন, তাঁর রাজ্যে হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইনের কোনও ঘাটতি নেই। নিজেদের জন্য এক কোটি ট্যাবলেট তিনি জমিয়ে রেখেছেন। 

গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রীই জানান, গুজরাটের ৩ টি প্রথম সারির ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা যুক্তরাষ্ট্রে হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন রপ্তানি করবে। ওই রাজ্যের প্রধান ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা ‘জুদাস হেলথকেয়ার’ ইতিমধ্যেই বাড়তি হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন তৈরি করা শুরু করে দিয়েছে। মাসে ১০ থেকে ৩০ মেট্রিক টন (১৫ কোটি ট্যাবলেট) পর্যন্ত হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন তৈরির পরিকল্পনা আছে সংস্থাটির। 

এছাড়াও গুজরাটের আরও দুই ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা ‘মঙ্গলম ফার্মা’ এবং ‘ভিতাল ল্যাবরেটরি’ জোরকদমে হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন তৈরি করছে। এই তিন সংস্থায় তৈরি ওষুধ আমেরিকার পাশাপাশি, যে দেশগুলিতে এর ঘাটতি আছে সেই দেশগুলিতে যাবে। আমেরিকাকে ওষুধ রপ্তানি করতে পারলে আর্থিক দিক থেকে ব্যপক লাভবান হবে এই সংস্থাগুলি। সেজন্যই যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে কাজ চলছে।

প্রসঙ্গত, হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন নিয়ে ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে বহু জলঘোলা হয়েছে। কোভিড-১৯ মহামারির প্রকোপ রুখতে ওষুধ চেয়ে ভারতকে কার্যত হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি সাফ বলছেন যে, আমেরিকাকে হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন ওষুধ না দিলে আমেরিকা পালটা পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে। ট্রাম্পের এই বক্তব্যের পর যে সমস্ত দেশে করোনা প্রবলভাবে ছড়িয়েছে সেই দেশগুলিতে হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন রপ্তানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে নয়াদিল্লি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা