kalerkantho

শনিবার । ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৩০  মে ২০২০। ৬ শাওয়াল ১৪৪১

করোনাভাইরাস : কেন এত লোক মাথা কামাচ্ছে?

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৪ এপ্রিল, ২০২০ ১২:০১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



করোনাভাইরাস : কেন এত লোক মাথা কামাচ্ছে?

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রুখতে লকডাউন চলছে ব্রিটেনে।এই পরিস্থিতিতে ব্রিটেনবাসীরা একটি নতুন এবং অস্বাভাবিক জীবনযাপনের সাথে খাপ খাইয়ে দেখছেন। এর মধ্যে কিছু লোক মাথা কামাচ্ছেন।

নাপিতের দোকান এবং  হেয়ারড্রেসারগুলি বন্ধ রয়েছে।লোকেরা নিজেদের  চেহারায় নতুন রূপ দেখার চেষ্টা করেছে। অনলাইনে তাদের এ ধরনের ফটো শেয়ার করছেন।একই সময়ে অনেকে দাতব্য প্রতিষ্ঠানের জন্য অর্থ সংগ্রহ করছেন।

পল ম্যাকেরলিয়ান।সাউথ ডেরি লেভির ২২ বছর বয়সী এই তরুণ নিজ চেহারার নতুন রূপ দিয়েছেন (মাথা কামিয়ে)।তিনি বিশ্বাস করেন যে কামানো মাথাগুলি সংকটের প্রতীক হয়ে উঠতে পারে।

তিনি স্কাই নিউজকে বলেন, আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে আমার মাথা আংশিকভাবে শেভ করবো ।কারণ আমার চুল কাটার প্রয়োজন ছিল।এটা আংশিকভাবে সামাজিক দূরত্বের কারণে প্রয়োজন। 

তিনি বলেন, আমার কয়েকজন বন্ধু ইতিমধ্যে মাথা কামিয়েছে। আমি ভেবেছিলাম আমি নিজেই এটি করব। আমার মা এই ধারণার প্রতিবাদ করেছিলেন। আমি যে মাথা কামিয়েছি তাতে মোটেও খুশি নন তারা। 

পল ম্যাকেরলিয়ান বলেন, আমার পিতা আমার জন্যই মাথা কামিয়েছিলেন। তাই আমি অনুমান করি তিনি আমার কাজে  কিছু মনে করেননি।

তিনি বলেছেন, আমার শেষ চুল কাটার পরে তা বড় হতে ছয় সপ্তাহ বা তার বেশি সময় লেগেছিল।আমি আমার নতুন চেহারাটি (লুক) বেশ পছন্দ করি। 

তিনি বলেন, আমি মনে করি এর ফলে আমাকে ডার্মোট কেনেডির মতো দেখায়। 

তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি  চাঁচা মাথাগুলি দ্রুত কোভিড-১৯ সঙ্কটের প্রতীক হয়ে উঠেছে । যতদিন লক ডাউন  থাকবে ততদিনে আরও বেশি লোক মাথা কামিয়ে ফেলবেন।

অক্সফোর্ডের একটি রেস্তোরাঁ পরিচালক ২৭ বছর বয়সী স্যাম লন্ডার । তিনি্ও মাথা কামিয়েছেন।

তিনি স্কাই নিউজকে বলেন, ছয় সপ্তাহ ধরে আমাদের   লকডাউন চলছে। একঘেয়েমীর জীবনে ভিন্নতা আনতে আমি মাথা কামিয়েছি।

সূত্র : স্কাই নিউজ

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা