kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ২৬ চৈত্র ১৪২৬। ৯ এপ্রিল ২০২০। ১৪ শাবান ১৪৪১

বৈশ্বিক মহামারির পরবর্তী এপিসেন্টার কি যুক্তরাষ্ট্র?

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৬ মার্চ, ২০২০ ২০:৩৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বৈশ্বিক মহামারির পরবর্তী এপিসেন্টার কি যুক্তরাষ্ট্র?

চীন ও ইতালির পর এখন করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যায় তৃতীয় স্থানে ওঠে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র। আর ইতালিতে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা কমছে। যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে তাতে দেশটি মারাত্মক সংক্রামক এই রোগের নতুন এপিসেন্টারে পরিণত হতে যাচ্ছে বলে আশঙ্কা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও)।

ডব্লিউএইচওর মুখপাত্র মার্গারেট হ্যারিস ২৪ মার্চ এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় যতো নতুন আক্রান্ত হয়েছেন তাদের ৮৫ শতাংশের বেশি ইউরোপ ও আমেরিকার বাসিন্দা। জন হপকিন্স ইউনিভার্সিটির তথ্যানুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রে ২৪ মার্চ পর্যন্ত মোট আক্রান্ত ৪৬ হাজার ৪৮১। মারা গেছেন প্রায় ৬০০ জন। আর গত ২৪ ঘণ্টায় ট্রাম্পের দেশে নতুন করে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত ২৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে করে প্রাণহানির সংখ্যা ১ হাজার ৩২ জনে দাঁড়িয়েছে। আর এখন পর্যন্ত সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬৮ হাজার চারশ ৮৯ জনে। কোনো প্রতিষেধক না থাকায় সুস্থ হওয়ার সংখ্যা একেবারেই কম। আর এতে করেই দীর্ঘ হচ্ছে লাশের মিছিল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্ক করে বলেছে, বৈশ্বিক মহামারির পরবর্তী কেন্দ্র হতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। অর্থাৎ ইতালির মতোই ভয়াবহ চিত্র হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রে।

এদিকে, মোট আক্রান্তে এখনো চীনকে অতিক্রম না করলেও মৃত্যুর সংখ্যা কয়েকদিন আগেই চীনকে ছাড়িয়ে গেছে ইতালি। দেশটিতে প্রতিদিনই মৃত্যুর রেকর্ড হচ্ছে। তবে আশার কথা কয়েক সপ্তাহ ধরে পুরো দেশ লকডাউন করে রাখায় সেখানে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা গত ১৯ মার্চ থেকে কমতে শুরু করেছে।

এই মারণ ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে সারা বিশ্বে। চীনের উহানে প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়ার পর এক লাখে পৌঁছাতে সময় লেগেছিল ৬৭ দিন। তারপর দুই লাখ হতে সময় লেগেছে ১১ দিন। আর মাত্র চারদিনে আরো এক লাখ নতুন আক্রান্ত হয়েছে।

করোনার এই বিস্তার রোধের একমাত্র উপায় ঘরে থাকা এবং নিজেদের মধ্যে দূরত্ব বজায় রাখা। তাহলেই একজন থেকে আরেক জনে সংক্রমণের ভয়াবহ এ চক্র ভাঙা সম্ভব হবে। দূরত্ব বজায় রাখাই এখন পর্যন্ত এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের একমাত্র হাতিয়ার। কারণ এই ভারসের কোনো প্রতিষেধক বা ওষুধ; কোনোটাই উদ্ভাবন করার সম্ভব হয়নি।

সূত্র: ডয়েচে ভেলে বাংলা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা