• ই-পেপার

করোনামুক্তিতে ডেটল খাওয়ালেন চার্চের পাস্তুর, ৫৯ জনের মৃত্যু!

আটকের কয়েক ঘণ্টা পর মুক্ত রাহুল-প্রিয়াঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক
আটকের কয়েক ঘণ্টা পর মুক্ত রাহুল-প্রিয়াঙ্কা
সংগৃহীত ছবি

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে থেকে আটক দেশটির লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী মুক্তি পেয়েছেন।

সংবাদ প্রতিদিনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিস্তারিত আসছে...

যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানে হামলা না করত, আজ ইসরায়েলের অস্তিত্ব থাকত না : ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানে হামলা না করত, আজ ইসরায়েলের অস্তিত্ব থাকত না : ট্রাম্প
সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা না চালাত, তাহলে আজ ইসরায়েলের অস্তিত্বই থাকত না বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) আল জাজিরার লাইভ আপডেট থেকে এ তথ্য জানা যায়।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ‘সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমলে হওয়া ইরানের পারমাণবিক চুক্তি (নিউক্লিয়ার ডিল) যদি বাতিল না করা হতো, তবে ইরান অনেক আগেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে সক্ষম হতো। আমরা যদি সেই চুক্তি বাতিল না করতাম, তাহলে আজ ইসরায়েল থাকত না। কারণ ইরান বহু বছর আগেই পারমাণবিক অস্ত্র পেয়ে যেত।’

ট্রাম্প আরও দাবি করেন, তার প্রশাসনের শুরুতেই অর্থাৎ ২০২৫ সালের মাঝামাঝিতে যুক্তরাষ্ট্রের বি-২ স্টেলথ বোমারু বিমান দিয়ে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানো হয়েছিল। সেই হামলার কারণেই ইরান পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে পারেনি।

তিনি বলেন, ‘আমরা যদি এক বছর আগে বি-২ বোমারু বিমান দিয়ে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো ধ্বংস না করতাম, তাহলে আজ তাদের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র থাকত।’ আর এর ফলে শুধু ইসরায়েলই নয়, মধ্যপ্রাচ্যের আরও কয়েকটি দেশও তখন গুরুতর হুমকির মুখে পড়ত বলে জানান তিনি।

কানাডার সঙ্গে বাণিজ্যযুদ্ধে নামছেন ট্রাম্প?

অনলাইন ডেস্ক
কানাডার সঙ্গে বাণিজ্যযুদ্ধে নামছেন ট্রাম্প?
সংগৃহীত ছবি

দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর থেকে গোটা বিশ্বের ওপর ছড়ি ঘোরাতে সব অস্ত্র নিয়ে মাঠে নেমেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত জানুয়ারিতে ভেনেজুয়েলা থেকে তাদের প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ‍তুলে এনে, ফেব্রুয়ারিতে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বাঁধিয়ে যুক্তরাষ্ট্র তাদের সামরিক সক্ষমতার বাস্তব প্রমাণ দিয়েছে। যদিও ইরানে দীর্ঘমেয়াদি ‍যুদ্ধ আমেরিকানরা পছন্দ করছে না। তবে সামরিক অস্ত্রের বাইরেও ট্রাম্পের আরেকটি প্রিয় অস্ত্র আছে—শুল্ক।

গত বছর সব বাণিজ্য সহযোগী দেশের ওপর বিভিন্ন হারে পাল্টা শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়ে বিশ্বজুড়ে তুলকালাম বাঁধিয়ে দিয়েছিলেন ট্রাম্প। গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট সেই শুল্ক বাতিল করে দিয়ে ট্রাম্পকে এই শুল্ক আগ্রাসন থেকে নিবৃত করেন। তারপরও থেমে যাননি ট্রাম্প। ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের ধারা ১২২-এর অধীনে সাময়িকভাবে ঢালাও ১০ ভাগ শুল্ক আরোপ করেছিলেন তিনি, যার মেয়াদ এই সপ্তাহে শেষ হতে চলেছে।

বিভিন্ন ধরনের নিষেধাজ্ঞার বাইরে অস্ত্র হিসেবে শুল্ক ট্রাম্পের খুবই প্রিয়। নিজেদের বিশাল বাজারকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে বিভিন্ন দেশকে শায়েস্তা করতে কথায় কথায় শুল্ক আরোপের হুমকি দেন ট্রাম্প। ভারত, রাশিয়া থেকে তেল কিনলে বাড়তি শুল্ক আরোপ করা হয়। গত সপ্তাহে ব্রাজিলের বাণিজ্য নীতিকে অন্যায্য দাবি করে বাণিজ্য আইনের ধারা ৩০১-এর অধীনে ব্রাজিলের অনেক পণ্যের ওপর ২৫ ভাগ নতুন শুল্ক ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। অস্ত্র হিসেবে শুল্ক ট্রাম্পের এতই প্রিয়, গত সপ্তাহে কানাডায় দাবানলের কারণে উড়ে আসা ধোঁয়ায় পরিবেশের ক্ষতি পোষাতে কানাডার ওপর বাড়তি শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছিলেন তিনি। দাবানল ট্যাক্স আরোপ না করলেও হুমকির তিনদিনের মাথায় সোমবার কানাডার কিছু পণ্যের ওপর ৫০ ভাগ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এই শুল্ক কার্যকর হবে এবং এর আওতায় প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের কানাডীয় পণ্য পড়বে।

মেক্সিকো, কানাডার সঙ্গে যৌথভাবে ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজন করলেও এ দুই প্রতিবেশীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক ভালো নয়। মেক্সিকোর সঙ্গে সম্পর্ক আগে থেকেই খারাপ। কানাডা আমেরিকার বন্ধু প্রতিবেশীই ছিল। তবে ট্রাম্প কানাডার সঙ্গে রীতিমতো পায়ে পাড়া দিয়ে ঝগড়া বাঁধিয়ে সম্পর্ক খারাপ করছেন। দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসে কানাডাকে আমেরিকার ৫১তম অঙ্গরাজ্য হয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন ট্রাম্প। ক্ষমতায় না হলেও আয়তনে বড় কানাডার রাজনীতিবিদ ও সাধারণ মানুষ ট্রাম্পের এ আহ্বানে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। তারা এটিকে কানাডার সার্বভৌমত্বের ওপর হুমকি হিসেবেই বিবেচনা করেন। দাবানলের বিপদে পাশে না দাঁড়িয়ে উল্টো শুল্ক আরোপের হুমকিও সাধারণ মানুষকে মর্মাহত করেছে। সর্বশেষ কানাডার কিছু পণ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ ভাগ শুল্ক আরোপকে বিবেচনা করা হচ্ছে সরাসরি শত্রুতার ঘোষণা হিসেবে। চীন ছাড়া আর কোনো দেশের পণ্যের ওপরই যুক্তরাষ্ট্রের এত উচ্চহারে শুল্ক আরোপ করার নজির নেই।

গত বছর বিশ্বজুড়ে পাল্টা শুল্ক আরোপের পর অধিকাংশ দেশই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে বিষয়টি সমঝোতার চেষ্টা করেছে। কেবল কানাডা আর চীনই পাল্টা শুল্ক আরোপ করেছিল। পাল্টা শুল্ক আরোপ করেই বসে থাকেনি কানাডা। তারা চীনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ বাণিজ্য সম্পর্ক গড়ে তোলে। বিষয়টি ভোলেননি ট্রাম্প। তাইতো কানাডাকে শায়েস্তা করতে প্রায় শত বছরের পুরোনো একটি আইন খুঁজে বের করেছেন তিনি। ১৯৩০ সালের ট্যারিফ অ্যাক্টের ৩৩৮ ধারা অনুযায়ী কানাডার পণ্যে ৫০ ভাগ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে, যদিও এ আইনের ব্যবহার বিরল।

যুক্তরাষ্ট্রের গাড়ি, ডেইরি পণ্য ও অ্যালকোহলের ক্ষেত্রে কানাডা বৈষম্যমূলক আচরণ করছে—এমন অভিযোগ তুলে ট্রাম্প এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কানাডার শুল্ক নিয়ে টানাপড়েনটা পুরোনো। ট্রাম্পের নানা বক্তব্য আর গত বছর পাল্টাপাল্টি শুল্ক আরোপের ঘটনা দুদেশের সম্পর্ককে তলানিতে নিয়ে গেছে। পাল্টা হিসেবে কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের গাড়ির ওপর বাড়তি শুল্ক তো আরোপ করেছেই, পাশাপাশি চীন থেকে গাড়ি আমদানি বাড়িয়েছে। বাড়তি শুল্কের কারণে কানাডায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডেইরি পণ্য ও অ্যালকোহলের বাজার ছোট হয়ে গেছে। কানাডায় দুধের আমদানি নির্ধারিত সীমা ছাড়ালে ৩০০ শতাংশের বেশি শুল্ক দিতে হয়। গত বছর থেকে কানাডার অধিকাংশ প্রদেশে কার্যত যুক্তরাষ্ট্রের মদ বর্জন করা হচ্ছে। বাড়তি শুল্কের কারণে কানাডায় মার্কিন গাড়ি রপ্তানি ২২ ভাগ এবং অ্যালকোহল রপ্তানি ৮১ ভাগ কমে গেছে। ডেইরি পণ্যের বাজারেও ধ্বস নেমেছে। এর প্রতিশোধ হিসেবেই যুক্তরাষ্ট্র ৫০ ভাগ বাড়তি শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিল।

ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো-কানাডা মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (ইউএসএমসিএ) সই হয়েছিল। কানাডা ও মেক্সিকো চুক্তিটি নবায়নের পক্ষে থাকলেও ট্রাম্প প্রশাসনের এখন আর সেই চুক্তি নিয়ে আগ্রহ নেই। যুক্তরাষ্ট্র ইউএসএমসিএ চক্তি সংশোধন করতে চায়। নতুন আরোপিত শুল্কের ব্যাপারে ট্রাম্প এতটাই কড়া যে, ইউএসএমসিএ চুক্তির আওতায় থাকা পণ্যকেও এ শুল্ক দিতে হবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেছেন, ‘ইউএসএমসিএর সরাসরি লঙ্ঘন করে যুক্তরাষ্ট্র যে একতরফা পদক্ষেপগুলো নিয়ে আসছে, এটি তার সর্বশেষ উদাহরণ।’

গত রবিবার নিউজার্সিতে বিশ্বকাপ ফাইনালে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কথা হয়েছে। কিন্তু তার পরদিনই আসলো ৫০ ভাগ শুল্কের বিশাল বোঝা। তবে মার্ক কার্নি বলেছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা আরো জোরদার করতে তারা প্রস্তুত। মার্ক কার্নি বলেন, তার দেশ মুক্ত এবং ন্যায্য বাণিজ্যের সুফলে বিশ্বাসী। কার্নি আরো বলেন, যেকোনো পরিস্থিতিতেই কানাডা অবিরাম কাজ করে যাবে এবং দেশের শক্তি বাড়াতে ও কানাডার শ্রমিক, কৃষক, ব্যবসায়ী ও পরিবারগুলোকে সহায়তা করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে।

তবে অন্টারিওর প্রিমিয়ার ডগ ফোর্ড মার্ক কার্নির মত অত কৌশলী নন। যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি এক্স (সাবেক টুইটার)-এ দেওয়া এক পোস্টে বলেছেন, যদি এই শুল্ক কার্যকর করা হয়, তবে কানাডার উচিত হবে শুল্কের বদলে শুল্ক এবং ডলারের বদলে ডলার হিসেবেই এর জবাব দেওয়া।

বেলুচিস্তানে ১৯ পাকিস্তানি সেনাকে হত্যার দাবি বিএলএর

অনলাইন ডেস্ক
বেলুচিস্তানে ১৯ পাকিস্তানি সেনাকে হত্যার দাবি বিএলএর

বেলুচিস্তানের খুজদার অঞ্চলে অভিযান চালিয়ে ১৯ জন পাকিস্তানি সেনাকে হত্যার দাবি করেছে বেলুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ)। সোমবার (২০ জুলাই) বিএলএ জানিয়েছে, গত ১০ জুলাইয়ের এই অভিযানে তাদের নিজেদেরও ৬ যোদ্ধা নিহত হয়েছেন।

বেলুচিস্তান পোস্টের খবর অনুসারে, বিএলএ মুখপাত্র জিয়ান্দ বালোচ এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ওই দিন ভোর ৬টার দিকে অভিযানটি শুরু হয়। তাদের যোদ্ধারা স্থানীয় থানা ও বেশ কয়েকটি সরকারি ভবন দখল করে অস্ত্র ও গোলাবারুদ নিয়ে গেছে। এ সময় বিস্ফোরক দিয়ে থানা ধ্বংস করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এলাকাটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর পাকিস্তানি বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট প্রধান মহাসড়ক বরাবর অবস্থান নেয় এবং শহরে প্রবেশের পথগুলোতে অবরোধ তৈরি করে। সোরগাজের কাছে পুলিশের একজন ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্টের নেতৃত্বাধীন গাড়িবহরে অতর্কিত হামলা চালালে তারা পিছু হটে।

বিএলএ জানিয়েছে, পরে সাঁজোয়া যান ও গানশিপ হেলিকপ্টারের সহায়তা নিয়ে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য এসে পৌঁছালে তিন ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে সংঘর্ষ চলে। এই লড়াইয়ে পাকিস্তানের ১৫ জনেরও বেশি সদস্য নিহত ও কয়েক ডজন আহত হয়েছে। এছাড়া ভারী অস্ত্রের গোলায় একটি সাঁজোয়া যান ধ্বংস ও একটি হেলিকপ্টার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পরে ওই দিন সন্ধ্যায় বিএলএ যোদ্ধারা মহাসড়ক ধরে অগ্রসরমান আরেকটি সামরিক বহরে ওপর হামলা চালায়। এতে সরাসরি একটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং আরো ৪ জন নিহত হন।

বেলুচিস্তান পোস্টের খবরে বলা হয়, বিএলএ নিশ্চিত করেছে, অভিযানের সময় তাদের ছয় জন যোদ্ধা নিহত হয়েছে। যোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিএলএ বলেছে, যোদ্ধাদের এই মৃত্যু স্বাধীন বেলুচিস্তান প্রতিষ্ঠার জন্য তাদের সশস্ত্র আন্দোলনকে আরো শক্তিশালী করবে।

করোনামুক্তিতে ডেটল খাওয়ালেন চার্চের পাস্তুর, ৫৯ জনের মৃত্যু! | কালের কণ্ঠ