kalerkantho

সোমবার । ২৩ চৈত্র ১৪২৬। ৬ এপ্রিল ২০২০। ১১ শাবান ১৪৪১

করোনামুক্তিতে ডেটল খাওয়ালেন চার্চের পাস্তুর, ৫৯ জনের মৃত্যু!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৬ মার্চ, ২০২০ ১৫:২৫ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



করোনামুক্তিতে ডেটল খাওয়ালেন চার্চের পাস্তুর, ৫৯ জনের মৃত্যু!

সারা বিশ্বে করোনা ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিনিয়ত হাজার হাজার মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে প্রাণহানির সংখ্যাও। মারণ ভাইরাস করোনার কোনো প্রতিষেধক না থাকায় মারা যাচ্ছেন মানুষ। এমন অবস্থায় করোনা রুখতে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে নানা ধরনের গুজব। করোনা ঠেকানোর গুজবে কান দিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ৫৯ জন মানুষ। 

কেনিয়ার স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, করোনা ঠেকাতে এক চার্চের পাস্তুর তার অনুসারীদের ডেটল খাওয়ার পরামর্শ দেন। ওই চার্চের পাস্তুরের কথা শোনে কেনিয়ার ৬৩ জন মানুষ ডেটল খান। কিন্তু করোনা ঠেকানোর বদলে উল্টা প্রাণ হারালেন ৫৯ জন। আর চারজন বেঁচে আছেন। তবে তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

এই সংবাদটি প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই ছড়িয়ে পড়েছে চারদিকে। অনেকেই করোনার ঠেকানোর এরকম প্রাণহানিকর পরামর্শ এড়িয়ে চলার জন্য বলেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও এই ধরনের গুজবে কান না দেওয়ার জন্য বার বার বলছে। কিন্তু মানুষ এই কাজগুলো করেই যাচ্ছে। তবে এই নিউজর সত্যতা যাচাই করা যায়নি। অনেকেই বলছেন, এই নিউজটি ‘ফেইক নিউজ’।  

এদিকে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বজুড়ে ২১ হাজার একশ ৯১ জনের মৃত্যু হয়েছে। তার মধ্যে গতকাল বুধবার ছিল যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এখন পর্যন্ত ভয়াবহ দিন। সে দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৬০ হাজার ৪৮ জনে ঠেকেছে। তবে জন হপকিন্স ইউনিভার্সিটির দাবি, নতুন করে ১৬৪ জনের প্রাণহানির পর যুক্তরাষ্ট্রে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে নয়শ ৪৪ জন। তবে তিনশ ৯৪ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। যুক্তরাজ্যে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে চারশ ৫৬ জনে। নতুনভাবে আক্রান্ত হয়েছেন আরো দেড় হাজার মানুষ। স্পেনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে তিন হাজার চারশ ৩৪ জন।

এদিকে, ইতালিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ছয় হাজার আটশ ২০ জনে ঠেকেছে। অন্যদিকে ফ্রান্সে মারা গেছে ১৩৩১ জন। সার্বিয়াতে দুই শিশু আক্রান্ত হয়েছে। স্পেনে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুর সংখ্যা চীনকেও ছাড়িয়ে গেছে। স্পেনে এখন পর্যন্ত ৪৭ হাজার ছয়শ ১০ জন আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন। বিশ্ব পরিস্থিতি বিবেচনা করে দেখা গেছে, চীন এবং ইতালির পরেই যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে মৃতের হার ১.৩৮ শতাংশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন ৭০ লাখ থেকে দেড় কোটি মানুষ আক্রান্ত হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা