kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৪ চৈত্র ১৪২৬। ৭ এপ্রিল ২০২০। ১২ শাবান ১৪৪১

অগ্নিগর্ভ দিল্লিতে রক্ত ঝরছেই

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০৯:৫১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অগ্নিগর্ভ দিল্লিতে রক্ত ঝরছেই

উত্তাল দিল্লি

নয়া নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে বিক্ষোভে উত্তাল ভারতের দিল্লি। ভয়াবহ সংঘর্ষে হতাহতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ জনে। আহত হয়েছে দুই শতাধিক মানুষ।  

সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য এমনটাই বলছে। এদিকে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জরুরি বৈঠকে বসেছেন কর্মকর্তারা।

ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তা, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, উপরাজ্যপাল অনিল বৈজল এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আগেই উদ্যোগ নিয়েছিলেন। এবার দিল্লির স্বাভাবিক অবস্থা ফেরাতে আসরে নামলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার লক্ষ্যে রাতেই দিল্লি পুলিশ এবং আধা সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। প্রায় মাঝরাতে তিনি সংঘর্ষ কবলিত উত্তরপূর্ব দিল্লির অঞ্চল সরেজমিনেতে ঘুরে দেখেন। দেখা করেন উত্তর-পূর্ব দিল্লির ডেপুটি কমিশনারের সঙ্গে। বুধবার সকালে ফের সংঘর্ষ কবলিত এলাকা ঘুরে দেখেন তিনি।
 
দিল্লি পুলিশ এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, দিল্লির পরিস্থিতি একপ্রকার নিয়ন্ত্রণে। সেনা নামানোর সম্ভাবনাও খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। বুধবার সকালে খুলে দেওয়া হয়েছে মেট্রো স্টেশনগুলি। কিন্তু স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যা-ই দাবি করুক, পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। বুধবার সকালেও ঘটেছে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষের ঘটনা।
 
উন্মত্ত জনতার রোষ থেকে বাদ যাচ্ছে না সমাজের কোনও অংশের মানুষই। প্রাথমিকভাবে নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষে জড়ালেও পরে তাদের ‘টার্গেট’ হয়ে উঠেছে পুলিশ ও নিরাপত্তাবাহিনী। এরপর আক্রমণ করা হয় খবর সংগ্রহে আসা সাংবাদিকদেরও। মঙ্গলবার এক বৈদ্যুতিক মাধ‌্যমের কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর। আহত হয়েছেন আরও পাঁচ জন। ইতিমধ্যেই মৃতের সংখ‌্যা ১৮। আহত দেড় শতাধিক। এর মধ্যে ৫৬ জন পুলিশকর্মী। ইতিমধ্যেই একজন হেড কনস্টেবল নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত দুই আইপিএস অফিসার।
 
এদিকে, মাঝরাতে মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ করেছেন জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রদের একটি অংশ। তবে এই পরিস্থিতিতেও সেনা নামানোর পক্ষে নয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়।
 
সূত্রের খবর, রাজধানীতে সেনা নামলে বিশ্বের কাছে খারাপ বার্তা যাওয়ার আশঙ্কা করেই এই সিদ্ধান্ত। তার ওপর মার্কিন রাষ্ট্রপতি দিল্লিতে থাকায় তাঁর সঙ্গেই রয়েছে প্রচুর বিদেশি সংবাদমাধ‌্যমও। তাই আরও একটু ধৈর্য‌ নিয়ে চলতে চাইছে অমিত শাহর মন্ত্রণালয়। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা