kalerkantho

রবিবার । ২২ চৈত্র ১৪২৬। ৫ এপ্রিল ২০২০। ১০ শাবান ১৪৪১

আহমেদাবাদে ট্রাম্প, দিল্লি রণক্ষেত্র; নিহত পুলিশ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১৬:৪৮ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আহমেদাবাদে ট্রাম্প, দিল্লি রণক্ষেত্র; নিহত পুলিশ

প্রথম সরকারি সফরে সোমবার ভারতের আহমেদাবাদে পৌঁছেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নভেম্বরে মার্কিন ভোট, তার আগে দুই দিনের এই রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে এলেন তিনি। এমন দিনে নাগরিকত্ব আইনের সমর্থক ও বিরোধীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে দিল্লিতে। 

সোমবার ভারতের রাজধানীর উত্তর-পূর্বে জাফরাবাদের মৌজপুর এবং ভজনপুরা এলাকায় বিক্ষোভ চলাকালীন বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে। তাতে রতনলাল নামের এক হেড কনস্টেবলের মৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, বিক্ষোভকারীদের ছোড়া ইটের আঘাতে মাথায় গুরুতর আঘাত পান তিনি। হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। যদিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওয় দেখা গেছে, পিস্তল হাতে এক বিক্ষোভকারী পুলিশের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তবে গুলিবিদ্ধ হয়েই ওই পুলিশকর্মীর মৃত্যু হয়েছে কি-না তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে একাধিক পুলিশকর্মী গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি।

এর আগে, বিজেপি নেতা কপিল মিশ্র বলেছিলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যতক্ষণ ভারতে থাকবেন, ততক্ষণ আমরা শান্তি বজায় রাখব। কিন্তু সোমবার ট্রাম্পের বিমান যখন সবে আমদাবাদে নেমেছে, তখনই নাগরিকত্ব আইনের সমর্থক ও বিরোধীদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। 

রবিবার উত্তর-পূর্ব দিল্লির যে অঞ্চলে সংঘর্ষ হয়েছিল, এদিনও সেখানেই পাথর ছোড়াছুড়ি হল দু'পক্ষের মধ্যে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটাল। এদিনও দিল্লি মেট্রোর জাফরাবাদ ও মৌজপুর-বাবরপুর স্টেশন বন্ধ রয়েছে। 

নাগরিকত্ব আইন ও জাতীয় নাগরিকপঞ্জি নিয়ে বহুদিন ধরে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে আন্দোলন হচ্ছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য দিল্লির শাহিনবাগের আন্দোলন। কোনো রকমে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলে শাহিনবাগে ৬৯ দিন ধরে বন্ধ থাকা রাস্তার একদিকের অংশ খোলা সম্ভব হয়েছে। তার মধ্যেই শনিবার রাতে ভারতের জাতীয় পতাকা নিয়ে কয়েকশ মহিলা জাফরাবাদ মেট্রো স্টেশনের সামনে বসে পড়েন। পুলিশ এসে তাদের বোঝানোর চেষ্টা করলেও তারা ওঠেননি। 

রবিবার সকাল থেকে এই সংখ্যাটা ক্রমেই বাড়তে থাকে। সেখানে গিয়ে হাজির হন পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। তারা দফায় দফায় কথা বলছেন আন্দোলনকারীদের সঙ্গে। তাদের বোঝানোর চেষ্টা করেন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুসারে আন্দোলন তারা করতেই পারেন। কিন্তু তার ফলে অন্য লোকের সমস্যা করে নয়। বেশ কিছু রাস্তাও বন্ধ হয়ে গেছে। তাই তারা যেন নিজেদের আন্দোলন অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যান। কিন্তু বিক্ষোভকারীরা অবস্থান থেকে ওঠেননি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা