kalerkantho

বুধবার । ৫ কার্তিক ১৪২৭। ২১ অক্টোবর ২০২০। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

‘পাদ্রি আচমকাই জড়িয়ে ধরে চুমু খেতে শুরু করে’

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ২১:৫৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘পাদ্রি আচমকাই জড়িয়ে ধরে চুমু খেতে শুরু করে’

আবারো যৌন হয়রানি অভিযোগ উঠেছে ভারতের খ্রিস্টান ধর্মযাজক ফ্র্যাঙ্কো মুলাক্কালের বিরুদ্ধে। এবার তার বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন আরো এক সন্ন্যাসিনী। এর আগেও ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল মুলাক্কালের বিরুদ্ধে। সেই মামলায় সাক্ষী ছিলেন এই সন্ন্যাসিনী।

সন্ন্যাসিনীর অভিযোগ, ফোনে তাকে নানারকম কুপ্রস্তাব দিতেন ফ্র্যাঙ্কো। প্রায় দু’বছর ধরে চলেছিল এসব। এমনকি ওই সন্ন্যাসিনী যে কনভেন্টের দায়িত্বে ছিলেন সেখানেও হাজির হয়েছিলেন মুলাক্কাল। সন্ন্যাসিনী অভিযোগ করেছেন, সেখানেই তাকে জাপটে জড়িয়ে ধরে জোর করে চুমু খেয়েছিলেন ফ্র্যাঙ্কো মুলাক্কাল। 

সন্ন্যাসিনী জানান, ২০১৫ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত তাকে ফোন করে নানাভাবে উত্যক্ত করতেন ফ্র্যাঙ্কো। এতোদিন ভয়ে চুপ ছিলেন তিনি। প্রকাশ্যে আনেননি কোনো কথাই। ফোন-ভিডিও কল-চ্যাট; সব থেকেই আসত কুপ্রস্তাব। তবে ফ্র্যাঙ্কোর ভয়ে পুলিশে অভিযোগ জানাননি এই সন্ন্যাসিনী। তাই দায়ের হয়নি কোনো এফআইআরও। 

এর আগে সিস্টার লুসি কালাপুরা ধর্ষণের অভিযোগ এনেছিলেন ফ্র্যাঙ্কো মুলাক্কালের বিরুদ্ধে। সেই মামলার ১৪ নম্বর সাক্ষী ছিলেন এই সন্ন্যাসিনী। ২০১৮ সালে দেওয়া একটি বিবৃতিতে সাক্ষী হিসেবে এই সন্ন্যাসিনী বলেন, ২০১৭ সালে কনভেন্টে এসেছিলেন ফ্র্যাঙ্কো। তখনই পাদ্রি আমাকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেতে শুরু করে। সেসময় পুলিশ তাকে এফআইআর দায়ের করতে বললেও রাজি হননি সন্ন্যাসিনী।

২০১৮ সালেই প্রথম অভিযোগ ওঠে বিশপ ফ্যাঙ্কোর বিরুদ্ধে। সিস্টার লুসি কালাপুরা অভিযোগ করে বলে তাকে অসংখ্য বার ধর্ষণ করেছেন ফ্র্যাঙ্কো। সন্ন্যাসিনীর অভিযোগ, ২০১৪ সালের মে মাসে কুরাভিলাঙ্গারের একটি গেস্ট হাউসে তাকে ধর্ষণ করেন ওই চার্চের ফ্রাঙ্কো মুলাক্কাল। তার আরো অভিযোগ ছিল, ২০১৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তাকে মোট ১৩ বার ধর্ষণ করেছিলেন ফাদার ফ্রাঙ্কো। তাকে ওই কনভেন্টে বন্দি করেও রাখা হয়। 

এরপর ওই বছর জুন মাসেই এফআইআর দায়ের হয় মালাক্কালের বিরুদ্ধে। ২১ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার হন ফ্র্যাঙ্কো মালাক্কাল। ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসে চার্জশিট পেশ হয়। একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয় ফ্র্যাঙ্কোর বিরুদ্ধে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা