kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৪ চৈত্র ১৪২৬। ৭ এপ্রিল ২০২০। ১২ শাবান ১৪৪১

করোনা পর্যবেক্ষণে চীনে, যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে অভিজ্ঞতা জানালেন সংক্রামক বিশেষজ্ঞ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১২:৫৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



করোনা পর্যবেক্ষণে চীনে, যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে অভিজ্ঞতা জানালেন সংক্রামক বিশেষজ্ঞ

চীন থেকে ফিরে যাওয়া মার্কিন নাগরিকদের সামরিক ঘাঁটিতে দুই সপ্তাহের জন্য কোয়ারেনটাইনে রাখা হচ্ছে। এরই মধ্যে কোয়ারেনটাইনে দুই সপ্তাহ পার করেছেন মার্কিন বিশেষজ্ঞ ডা. ইয়ান লিপকিন। 

কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ লিপকিন চীনের উহান শহরে গিয়েছিলেন করোনাভাইরাসের ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে। তিনি বলেন, আমি দেশে ফিরেই কোয়ারেনটাইনে যাই। কারণ, নিজের দেশের নাগরিকদের কখনোই বিপদে ফেলতে চাইনি। সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছায় আমি ১৪ দিন পার করে সুস্থ আছি।

তিনি আরো বলেন, আমি শুরু থেকেই সাবধানে ছিলাম। দেশে ফিরেও রক্ত পরীক্ষা করিয়েছি। আমি মনে করি এই ভাইরাস ছড়িয়েছে বন্যপ্রাণী থেকে। যে ধরনের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে, সবমিলিয়ে মনে হচ্ছে এই ভাইরাস বাদুড় থেকেই ছড়িয়েছে। তবে বাদুড় থেকে স্তন্যপায়ী কোনো প্রাণীর শরীরে গেছে, এরপর মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। এটা সার্সের মতোই ঘটনা। তবে বাদুড় থেকে কোন প্রক্রিয়ার মধ্যে মানুষের শরীরে এই ভাইরাস ঢুকে গেল, তা এখনো বোঝা যাচ্ছে না।

তিনি আরো বলেন, ভাইরাসটি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য পশু-পাখি বিক্রির বাজার অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া যেতে পারে। কারণ, রোগ তো কেবল একটা নয়। এর আগে ইবোলা থেকে শুরু করে মার্স, জিকা ভাইরাস ছড়িয়েছে বন্যপ্রাণীর মাধ্যমেই।

তিনি আরো বলেন, একটি বিষয় আমি বলতে চাই যে, অনেকেই মনে করছেন এই ভাইরাস জীবাণু অস্ত্র তৈরির গবেষণাগার থেকে ছড়িয়েছে। কিন্তু আমরা গুরুত্ব সহকারে পর্যবেক্ষণ করে সে ধরনের কোনো অস্তিত্বের সন্ধান পাইনি। এ ধরনের ঘটনা ঘটার কোনো ধরনের বাস্তব পরিস্থিতি নেই। সম্পূর্ণভাবে বন্যপ্রাণীর মধ্যে এই ভাইরাসটির উৎপত্তির পর বিবর্তন হয়ে মানুষের শরীরে ঢুকে গেছে।

তিনি আরো বলেন, কেউ যেখানে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে; সেখানে থাকলে অন্যদেরও ঝুঁকি থাকছে। এজন্য মাস্ক পরা সত্ত্বেও এক ধরনের ঝুঁকি থাকছে। যাত্রীবাহী জাহাজ, হাসপাতাল কিংবা কোয়ারেনটাইনে ১৪ দিন মাস্ক পরে থাকার সময় এক ধরনের অস্বস্তি কাজ করেছে। সময় যেন কাটতে চাইছিল না।  আর যারা, চীনের হাসপাতালগুলোতে কাজ করছে, তাদের কাছে এই পরিস্থিতিটা অত্যন্ত চাপের।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা