kalerkantho

শনিবার । ২১ চৈত্র ১৪২৬। ৪ এপ্রিল ২০২০। ৯ শাবান ১৪৪১

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বড় ধাক্কা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১৭:৫০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বড় ধাক্কা

গত লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিবঙ্গে নিজেদের মাটি শক্ত করেছিল বিজেপি। জেলার বিভিন্ন জায়গায় সংগঠনকে মজবুত করেছিল। কিন্তু এবার নিজেদের জমি হারাতে চলছে বিজেপি। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় একের পর এক পৌরসভা, পঞ্চায়েত হাতছাড়া বিজেপির। এমনকি লোকসভা নির্বাচনের পর তৈরি হওয়া বিজেপির সংগঠনেও থাবা বসিয়েছে মমতা ব্যানার্জির দল।

এবার পুরুলিয়ায়র মতো বিজেপির শক্ত ঘাঁটিতে বড়সড় ধস নামালো শাসকদল তৃণমূল। বিজেপির প্রাক্তন জেলা সভাপতিসহ এক ঝাঁক বিক্ষুব্ধ নেতা-কর্মী তৃণমূলে যোগ দিলেন। সেই সঙ্গে জেলার নানা প্রান্তে থাকা পুরনো তৃণমূল কর্মীরাও দলের পতাকা হাতে তুলে নেন। 

দল ছাড়লেন বিজেপির প্রাক্তন জেলা সভাপতি বিকাশ মাহাতো, জয়পুরের তিন বারের ফরওয়ার্ড ব্লক বিধায়ক (পরে বিজেপিতে যোগ দেন) বিন্দেশ্বর মাহাতো, গত বিধানসভা নির্বাচনে পুরুলিয়া কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী নগেন্দ্র ওঝা, গত লোকসভা ভোটে শিবসেনার প্রার্থী রাজীব মাহাতো, বিজেপির প্রাক্তন যুব মোর্চা ও তফসিলি মোর্চার জেলা সভাপতি পরেশ রজক, বিশ্ব হিন্দু পরিষদের জয়পুরের সম্পাদক টিঙ্কু সিংহসহ একাধিক নেতা এদিন পুরুলিয়া রবীন্দ্রভবনে এসে তৃণমূলে যোগ দেন।

দলে যোগ দেওয়া বিজেপি শিবিরের ও দলের পুরনো কর্মীদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন জেলার পর্যবেক্ষক তথা মন্ত্রী মলয় ঘটক, জেলা সভাপতি তথা মন্ত্রী শান্তিরাম মাহাতো, জেলা বরিষ্ঠ সহসভাপতি সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায়। মন্ত্রী শান্তিরাম মাহাতো জানিয়েছেন, বিভিন্ন সময়ে বিভ্রান্ত হয়ে অন্য দলে যোগ দিয়েছিলেন, তারা মনে করছেন বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তৃণমূলের হাত শক্ত করা প্রয়োজন। তারা যোগদানের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। আমরাও সাদরে তাদের গ্রহণ করলাম। শুধু তাই নয়, আগামিদিনে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে আরো নেতা-কর্মীরা আসবেন বলে আশা। নেতৃত্বের একাংশের দাবি, জেলাতে বিজেপি সংগঠন বলে কিছু নেই। যা তৈরি হয়েছিল সেটাও আর নেই। আগামিদিনে আরো নেতা-কর্মী বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেবে বলে আশা তৃণমূল নেতৃত্বের।

ফের নিজের পুরানো দলে ফিরে এসে বিজেপির প্রাক্তন জেলা সভাপতি বিকাশ মাহাতো বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূল করে এসেছি। কিন্তু সমস্যা হওয়াতে দল ছেড়েছিলাম। বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলাম। কিন্তু সেখানে সম্মানে কাজ করতে পারছিলাম। আর সেই কারণেই ফের একবার তৃণমূলে ফিরে আসা বলে জানিয়েছেন তিনি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা