kalerkantho

চীনে আরো ১২১ জনের মৃত্যু, উত্তর কোরিয়ায়ও করোনার হানা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১৫:৫৭ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



চীনে আরো ১২১ জনের মৃত্যু, উত্তর কোরিয়ায়ও করোনার হানা

করোনাভাইরাসে মৃত্যুর হার বেড়েই চলছে। আজ শুক্রবার দেশটিতে করোনায় মৃত্যু হয়েছে আরো ১২১ জনের। যার অধিকাংশই ঘটেছে করোনাভাইরাসের ভরকেন্দ্র হুবেই প্রদেশে। নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন আরো প্রায় চার হাজার মানুষ। চীনের সরকারি সংবাদমাধ্যম এই তথ্য জানিয়েছে।

এদিকে, নতুন করে করোনা সংক্রমণের খবর এসেছে উত্তর কোরিয়া থেকে। যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, করোনার সঙ্গে লড়াইয়ে উত্তর কোরিয়াকে সব রকম সাহায্য করা হবে। প্রয়োজনে পিয়ংইয়ংয়ের ওপর থেকে বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞাও তুলে নেওয়া হতে পারে।

এর আগে বৃহস্পতিবার চীনে করোনাভাইরাসের প্রভাবে মৃত্যু হয়েছিল ২৪২ জনের। শুক্রবার সংখ্যাটা একটু কমলেও তা এক শ’র নিচে নামেনি। শুক্রবার গোটা দেশে মৃত্যু হয়েছে ১২১ জনের। যার জেরে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ১৫০০। এখনো পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৬০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।

কিভাবে এই ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করা হবে, কিভাবে চীনে মৃত্যু মিছিল বন্ধ করা সম্ভব হবে, তা নিয়ে এখনও দিশেহারা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। চীনের স্বাস্থ্য দপ্তরও খেই হারিয়ে ফেলছে। সরকার উচ্চপদস্থ স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছে। নতুন যারা এসেছেন, তারাও বিশেষ কিছু করে ওঠতে পারছেন না। এরই মধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ফের জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ২৫টি দেশ থেকে সংক্রমণের খবর মিলেছে। অপেক্ষাকৃত গরিব দেশে এই ভাইরাস ছড়িয়ে গেলে আরো ভয়াবহ ঘটনা ঘটবে। বস্তুত, শুক্রবার সেই আশঙ্কা আরো বেড়েছে। উত্তর কোরিয়াতে ক্রমশ এই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে।

বিশেষজ্ঞদের দাবি, চীন যেভাবে এই ভাইরাসের মোকাবিলা করছে, উত্তর কোরিয়ার পক্ষে তা কখনোই সম্ভব নয়। যুক্তরাষ্ট্র অবশ্য জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়ায় এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়লে সব রকম সাহায্য করবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। প্রয়োজনে সরিয়ে নেওয়া হবে একাধিক নিষেধাজ্ঞা।

ভিয়েতনামেও করোনা আতঙ্ক প্রবলভাবে ছড়িয়েছে। রাজধানী হ্যানয়ের উত্তরে একটি এলাকাকে গত ২০ দিন ধরে কার্যত অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। প্রায় ১০ হাজার মানুষ বসবাস করেন সেখানে। ভিয়েতনামের প্রশাসন জানিয়েছে, ওই অঞ্চলে করোনা ছড়ানোর সম্ভাবনা আছে বলেই এলাকাটিকে আলাদা করে রাখা হয়েছে। যাতে ভাইরাসের সংক্রমণ না ঘটে।

হংকং থেকে ছাড়া যে জাহাজটি গত প্রায় ২০ দিন ধরে সমুদ্রে আটকে ছিল, শুক্রবার তা কম্বোডিয়ার উপকূলে পৌঁছায়। ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, জাপান রাজি না হলেও কম্বোডিয়া ওই জাহাজের যাত্রীদের নামার সুযোগ দিয়েছে। দুই হাজারেরও বেশি যাত্রী আপাতত কম্বোডিয়ার উপকূল শহরে আছেন। ২০ দিন ধরে জাহাজটি সমুদ্রে আটকে ছিল কারণ, মনে করা হচ্ছিল ওই জাহাজে করোনা আক্রান্ত থাকতে পারেন। জাপান উপকূলে এখনো একটি জাহাজ আটকে আছে। সেই জাহাজে বহু যাত্রীর শরীরে করোনার জীবাণু মিলেছে।

সূত্র: ডয়চে ভেলে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা