kalerkantho

বুধবার । ৬ ফাল্গুন ১৪২৬ । ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৪ জমাদিউস সানি ১৪৪১

এবার করোনাভাইরাসের থাবা কলকাতায়?

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৭ জানুয়ারি, ২০২০ ১৪:০৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এবার করোনাভাইরাসের থাবা কলকাতায়?

কলকাতার বেলেঘাটার হাসপাতাল (ডানে)

করোনাভাইরাসের আতঙ্ক শুধু চীন নয় বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। এদিকে প্রশ্ন উঠেছে, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কি ছড়িয়ে পড়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের রাজধানী কলকাতাতেও? 

এই মুহূর্তের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলে দিলেন কলকাতার  বেলেঘাটার হাসপাতালে ভর্তি হওয়া এক চীনা যুবতী। জ্বর নিয়ে তিনি রবিবার ভর্তি হন বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে। 

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে তাঁকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে রেখে চিকিৎসা শুরু করা হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত তাঁর শারীরিক পরীক্ষায় করোনাভাইরাসের নমুনা মেলেনি বলে প্রাথমিকভাবে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। বিষয়টি নিশ্চিত হতে আরও পরীক্ষা করা হবে বলে জানা গেছে।  

জানা গেছে, আক্রান্ত চীনা যুবতীর নাম হুয়ামিন। ছয় মাস আগে ভ্রমণের উদ্দেশে চীন থেকে বেরিয়েছিলেন তিনি। নামিবিয়া, মরিশাস, মাদাগাস্কার হয়ে ভারতে আসেন তিনি। ২৪ জানুয়ারি থেকে তিনি কলকাতায় আছেন। সম্প্রতি তাঁর জ্বর হয়। সাধারণ ওষুধে তা না কমায় তিনি বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে ভর্তি হন। এখনও পর্যন্ত এখানেই করোনাভাইরাস আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে আইসোলেশন ওয়ার্ড। চীনের বাসিন্দা হুয়ামিনের কোনোভাবে যদি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ হয়ে থাকে, সেই আশঙ্কায় তাঁকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে রেখেই চিকিৎসা শুরু হয়েছে।

বেলেঘাটা আইডি হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হুয়ামিনের জ্বর আছে, শ্বাসকষ্টের গুরুতর সমস্যা এখনও পর্যন্ত নেই। তবে শ্বাসনালীতে কোনও সংক্রমণ হয়েছে কি-না, তা আরও পরীক্ষার মাধ্যমে বোঝা যাবে। ৬ মাস আগে চীন থেকে বেরিয়ে পড়ায় তাঁর শরীরে করোনাভাইরাস সংক্রমণ নেই বলে মনে করছে চিকিৎসকদের একাংশ। 

তবে আরও একটি সংশয়ও তৈরি হয়েছে। যেসব দেশ ঘুরে হুয়ামিন কলকাতায় এসেছেন, সেখান থেকে কোনোভাবে করোনাভাইরাস তাঁর শরীরে বাসা বাঁধতে পারে বলে অনুমান চিকিৎসকদের আরেকাংশের। প্রয়োজনে তাঁর শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পুণের ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি অব ভাইরোলজিতে পাঠানো হবে। সেখানে পরীক্ষার পর বোঝা যাবে, হুয়ামিন করোনাভাইরাস আক্রান্ত কি-না। 

এদিকে, সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য বলছে, ইতিমধ্যেই চীনে করোনাভাইরাসের কারনে এখন পর্যন্ত অন্তত ৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া এই ভাইরাসে দেশটিতে প্রায় ৩ হাজার মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্তদের বেশিরভাগই হুবেই প্রদেশের বাসিন্দা। 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা