kalerkantho

রবিবার । ১৯ জানুয়ারি ২০২০। ৫ মাঘ ১৪২৬। ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

১০০ বছর ঘুমিয়ে থাকার পর জেগে উঠল নিউজিল্যান্ডের আগ্নেয়গিরি, নিহত ৫

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৯ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৫:১৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



১০০ বছর ঘুমিয়ে থাকার পর জেগে উঠল নিউজিল্যান্ডের আগ্নেয়গিরি, নিহত ৫

আগ্নেয়গিরি দেখতে গিয়ে নিউজিল্যান্ডে ভয়াবহ অগ্নুৎপাতের শিকার হয়েছেন পর্যটকরা। এই ঘটনায় নিহত হয়েছেন পাঁচ জন। এছাড়াও নিখোঁজ রয়েছেন বহু পর্যটক। যদিও নিখোঁজ এবং আহত পর্যটকদের সংখ্যা ঠিক কত, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট ভাবে কিছু জানাতে পারেনি দেশটির প্রশাসন। কী করে ওই আগ্নেয়গিরির কাছে পর্যটকরা পৌঁছলেন, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে উদ্ধার কাজ শুরু করেছে দেশটির প্রশাসন।

ঘটনার সূত্রপাত নিউজিল্যান্ডের সময়ে সোমবার দুপুরে। আচমকাই অগ্নুৎপাত শুরু হয় নিউজিল্যান্ডের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় ৪৮ কিলোমিটার দূরে সমুদ্রের মাঝখানে থাকা একটি দ্বীপে। হোয়াইট আইল্যান্ড বলেই যা পরিচিত। ১০০ বছর আগে শেষবার লাভা বের হতে দেখা গিয়েছিল হোয়াইট আইল্যান্ডের আগ্নেয়গিরিকে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, প্রতিদিনের মতো এ দিনও অসংখ্য পর্যটক সেই দ্বীপটি দেখতে গিয়েছিলেন। তখনই দ্বীপের মধ্যে থাকা আগ্নেয়গিরি থেকে অগ্নুৎপাত শুরু হয়। প্রায় ১০ হাজার ফুট পর্যন্ত আগুন ওঠে এবং লাভা স্রোত বইতে শুরু করে শুরু হয়। অনেকেই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে আসেন। আহত হন বহু। তবে এখনও সেই দ্বীপে কেউ আটকে আছেন কি না, কারও মৃত্যু হয়েছে কি না, তা জানা যায়নি।

নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, দ্বীপটিতে প্রায় একশ জন পর্যটক ছিলেন বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। অনেকেই আহত হয়েছেন বলে আমরা খবর পেয়েছি। তাদের মূল ভূখণ্ডে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। আরো কেউ সেখানে আটকে আছেন কি না, তার খোঁজ চলছে।

স্থানীয় এলাকার মেয়র জানান, আহতদের দ্রুত চিকিৎসা শুরু হয়েছে। তারা দ্বীপটিতেই গিয়েছিলেন, না কি আশেপাশে ছিলেন, তা জানার চেষ্টা হচ্ছে। তাদের কাছ থেকেই বোঝার চেষ্টা হচ্ছে, আরো পর্যটক সেখানে আটকে আছেন কি না।

এর আগে ১৯১৪ সালে ওই দ্বীপেই এক ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছিল। খনিতে কাজ করতে গিয়ে মৃত্যু হয়েছিল ১২ জনের।

সূত্র: ডিডব্লিও।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা