kalerkantho

শনিবার । ২৫ জানুয়ারি ২০২০। ১১ মাঘ ১৪২৬। ২৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

পশ্চিমবঙ্গের ২১ জেলায় সক্রিয় ওয়াইসির দল ইত্তেহাদুল-মুসলিমিন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ ২২:২৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পশ্চিমবঙ্গের ২১ জেলায় সক্রিয় ওয়াইসির দল ইত্তেহাদুল-মুসলিমিন

আগামী মাসেই পশ্চিমবঙ্গে নিজেদের শাখা খুলতে যাচ্ছে অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল-মুসলিমিন (এআইএমআইএম)। বহুদিন ধরেই পশ্চিমবঙ্গে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করছিল আসাদুদ্দিন ওয়াইসির দল। ওয়াকিবহাল মহলের মত, আগামী বিধানসভা ভোটে নিজেদের প্রার্থীও দিতে পারে হায়দরাবাদ কেন্দ্রিক এই রাজনৈতিক দলটি।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে মালদা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় এআইএমআইএম কর্মী মতিউর রহমানকে। এ ধরনের ঘটনা সবটাই সাজানো বলে মত এএমআইএম নেতা জামিরুল হাসানের।

এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন প্রান্তে আমাদের নেতা-কর্মীদের ওপর যথেচ্ছ আক্রমণ চালানো হচ্ছে। আর এটা হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি যেদিন থেকে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন, যেন আমরা কোনো ধরনের মিটিং-মিছিল না করতে পারি সেদিন থেকে।

পুলিশ বলছে, সাইবার অপরাধ এবং মানহানি এই দু'টি ক্ষেত্রে গ্রেপ্তার করা হয়েছে মতিউরকে। দলীয় কর্মীদের ওপর আক্রমণ নেমে আসলেও  এরই মধ্যে সংগঠন শক্তিশালী করার কাজ শুরু করে দেওয়া হয়েছে বলে জানান জামিরুল।

এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগামী জানুয়ারি মাসেই আমরা ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে বিশাল সমাবেশের মধ্য দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে নিজেদের শাখা খুলব। ওই সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে হাজির থাকবেন আমাদের নেতা আসাদুদ্দিন ওয়াইসি।

এরই মধ্যে ওই সভার জন্য ভারতীয় সেনাবাহিনী, দমকল বাহিনী এবং পুলিশের কাছে আবেদন জানানো হয়ে গেছে, খুব শিগগিরই অনুমতিও পাওয়া যাবে বলে জানান তিনি।

এই প্রসঙ্গে জামিরুল বলেন, পুরুলিয়া এবং দার্জিলিং বাদে অন্যান্য ২১টি জেলায় আমাদের শাখা রয়েছে। প্রতিটি ওয়ার্ড, ব্লক সব জায়গাতেই আমাদের কর্মী রয়েছে। এখনই আমাদের রাজ্যে প্রায় ১০ হাজার নেতা-কর্মী রয়েছেন।

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে বাংলায় এআইএমআইএম রক্তচাপ বাড়াতে পারে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে বিজেপির বিরুদ্ধে তিনটি আসনেই জয়লাভ করেছে। সেখানে অন্যতম ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়িয়েছিল সংখ্যালঘু ভোটব্যাংক। এখানেই থাবা বসাতে চাইছে আসাদুদ্দিন ওয়াইসি।

ইমামদের ভাতা প্রসঙ্গেও মুখ খোলেন জামিরুল। তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সবসময় বলেন যে সরকারের তরফ থেকে ইমামদের ভাতা দেওয়া হয়। কিন্তু আদতে সরকারের টাকায় নয় এই টাকা দেয় ওয়াকফ বোর্ড।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা