kalerkantho

বুধবার । ২২ জানুয়ারি ২০২০। ৮ মাঘ ১৪২৬। ২৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

এনকাউন্টারে নিহতদের দেহ সংরক্ষণের নির্দেশ, ময়নাতদন্তের থাকছে ভিডিও

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৭ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৪:১৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এনকাউন্টারে নিহতদের দেহ সংরক্ষণের নির্দেশ, ময়নাতদন্তের থাকছে ভিডিও

সোমবার পর্যন্ত ভারতের হায়দারাবাদে এনকাউন্টারে নিহতদের দেহ সংরক্ষণ করার নির্দেশ দিয়েছে তেলাঙ্গানা হাইকোর্ট। জরুরীভিত্তিক আবেদনের শুনানিতে দুই বিচারপতির বেঞ্চ শুক্রবার সন্ধ্যায় জানায়, সোমবার রাত ৮টা পর্যন্ত দেহগুলো সংরক্ষণ করতে হবে। 

আরো জানানো হয়, ময়নাতদন্ত হবে ভিডিওগ্রাফির মাধ্যমে। সেই রিপোর্ট জমা দিতে হবে হাইকোর্টের রেজিস্ট্রারের কাছে। ওই একই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মেহবুবনগরের জেলা বিচারককেও। শনিবার সন্ধ্যার মধ্যে জমা দিতে হবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট। সোমবার সকাল সাড়ে ১০ টায় পরবর্তী শুনানি করবে তেলাঙ্গানা হাইকোর্ট।

শুক্রবার ভোর রাতে পুলিশের এনকাউন্টারে মৃত্যু হয় ধর্ষণে অভিযুক্ত চারজনের। তারপর ভারতজুড়ে বহু মানুষ সাইবারাবাদ পুলিশের প্রশংসা করতে শুরু করে। আবার অনেকে বলেছেন, এটা ঠান্ডা মাথার খুন। এই বক্তব্য জানিয়ে তেলাঙ্গানা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদনও জমা পড়েছে। তা বিবেচনা করে শুক্রবার সন্ধ্যায় হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, চার অভিযুক্তের মরদেহের ময়নাতদন্তের ভিডিও ফুটেজ একটি কম্প্যাক্ট ডিস্ক বা পেনড্রাইভে নিয়ে তা মেহবুবনগরের মুখ্য জেলা বিচারকের কাছে উপস্থাপন করতে হবে। 

একই সঙ্গে মেহবুবনগরের মুখ্য জেলা বিচারককে তা গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়ে বিচারপতিরা বলেছেন, পেন ড্রাইভ বা কম্প্যাক্ট ডিস্ক শনিবার বিকেলের মধ্যে হাইকোর্টের রেজিস্ট্রারের কাছে জমা দিতে হবে। 

গত ২৭ নভেম্বর হায়দরাবাদে ৪৪ নম্বর জাতীয় সড়কের কাছে এক চিকিৎসক তরুণীকে গণধর্ষণ করে পুড়িয়ে মেরে ফেলা হয়। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। হায়দরাবাদের ওই ঘটনায় পুরো ভারতে তোলপাড় শুরু হয়ে যায়।
 
এসবের মাঝে শুক্রবার ভোর রাতে সাইবারাবাদ পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত চারজনকে নিয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়া হয়েছিল ঘটনার পুনর্নির্মাণ করার জন্য। কিন্তু তাদের মধ্যে দু’জন অভিযুক্ত পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে নিয়ে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। তাই বাধ্য হয়ে আত্মরক্ষার স্বার্থে ওই চারজনের ওপর গুলি চালাতে হয় পুলিশকে। তাতে অভিযুক্ত চারজনেরই মৃত্যু হয়।
 
সারাদিন ধরে পুলিশ এই যুক্তি ও বিবরণ দিলেও অনেকের কাছে তা গ্রাহ্য মনে হয়নি। তারা মনে করছেন, এটা ভুয়া এনকাউন্টার। এই অভিযোগ নিয়েই একাংশ মানবাধিকারকর্মী আবেদন জানিয়েছেন তেলাঙ্গানা হাইকোর্টে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা