kalerkantho

মঙ্গলবার । ২১ জানুয়ারি ২০২০। ৭ মাঘ ১৪২৬। ২৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

আপনার মেয়ে ধর্ষিতা হলে কী বলতেন? অপর্ণাকে অনুপম

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৭ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১২:১৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আপনার মেয়ে ধর্ষিতা হলে কী বলতেন? অপর্ণাকে অনুপম

ভারতের হায়দরাবাদে ধর্ষণে অভিযুক্তদের এনকাউন্টারে মেরে ফেলেছে পুলিশ। এভাবে এনকাউন্টারে মেরে ফেলাটা কতটা নৈতিক সে ব্যাপারে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। আমজনতার একটা বড় অংশ এই এনকাউন্টার সমর্থন করছেন।

অন্যদিকে এর বিরুদ্ধ মতও আছে। বুদ্ধিজীবী থেকে শুরু করে বরেণ্য ব্যক্তিদের অনেকেই পুলিশের এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা করছেন। সেই তালিকায় রয়েছেন চলচ্চিত্র জগতের কিংবদন্তি তথা সমাজসেবী অপর্ণা সেন। ধর্ষকদের শাস্তির দাবি করেও এনকাউন্টারের বিরোধিতা করেন তিনি। 

অপর্ণা সেন বলেন, এভাবে পুলিশ আইন হাতে তুলে নিতে পারে না। বিচার ব্যবস্থার বাইরে গিয়ে কাউকে শাস্তি দেওয়া যায় না। কিন্তু, অপর্ণা সেনের এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে একেবারই সমাদৃত হয়নি। উল্টো তাকে বিতর্কিত ভাষায় আক্রমণ করেছেন বিজেপি নেতা অনুপম হাজরা।

শুক্রবার ভোরে হায়দরাবাদের এনকাউন্টারের খবরে ঘুম ভাঙে ভারতবাসীর। অনেকেই পুলিশের এনকাউন্টার করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরব হন। এনকাউন্টারের বিরোধিতা করে অভিনেত্রী অপর্ণা সেন বলেন, এতে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক সাজা হলো না। আইন মেনে সাজা হলেও দৃষ্টান্ত হতো। গুলি করে মারা কখনো দৃষ্টান্ত নয়। পুলিশের হাতে ক্ষমতা যেতে পারে না। এনকাউন্টার যদি হবে, তাহলে পায়ে গুলি করা যেত। বিচারপ্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা থামাতে হবে। আরো দ্রুত ধর্ষণ মামলার নিষ্পত্তি করতে হবে। সরাসরি গুলি করে মেরে ফেলার ঘটনা তিনি সমর্থন করতে পারছেন না।
এসই মন্তব্যের জেরে তাকে আক্রমণ করেন বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন সাংসদ অনুপম হাজরা। ফেসবুক পোস্টে অনুপম প্রশ্ন তোলেন, হায়দরাবাদের ধর্ষিতার জায়গায় যদি অপর্ণা দেবীর মেয়ে থাকত, তাহলেও কি তিনি এই এনকাউন্টারের বিরোধিতা করতেন? 

অনুপমের ভাষায়, জানতে খুব ইচ্ছে করছে, হায়দরাবাদ গণধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডে, নির্যাতিতার নাম যদি কঙ্কণা সেন শর্মা হতো, তাহলে কি শ্রীমতি অপর্ণা সেনের পুলিশ এনকাউন্টার সম্পর্কে একই প্রতিক্রিয়া থাকত?

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা