kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৭ রবিউস সানি ১৪৪১     

বাংলায় কোনো এনআরসি হতে দেব না : মমতা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২০ নভেম্বর, ২০১৯ ১৮:২৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



 বাংলায় কোনো এনআরসি হতে দেব না : মমতা

এনআরসি নিয়ে ফের কেন্দ্রীয় সরকারকে এক হাত নিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানিয়ে দিলেন, আর কোথাও যাই হোক না কেন, বাংলা মানবিকতা-সংস্কৃতির জায়গা। এখানে এনআরসি হবে না। কারও ভয় পাওয়ার দরকার নেই।

সংদের শীতকালীন অধিবেশনে বুধবারই এনআরসি নিয়ে ফের একবার নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সারা দেশে এনআরসি হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। তার পরেই মুর্শিদাবাদের সাগরদীঘিতে এনআরসির বিরুদ্ধে সরব হন মমতা। তিনি বলেন, ‘‘কিছু লোক বদমায়েশি করে এনআরসির নাম করে নানা ভাবে উত্যক্ত করছে আপনাদের। একটা কথা মনে রাখবেন, বাইরের আমদানি করা কোনও নেতার কথা বিশ্বাস করবেন না। সে হিন্দুই হোক, মুসলমানই হোক। বিশ্বাস করবেন আমরা যারা মাটিতে থেকে লড়াই করি, তারা আপনাদের পাশে আছি। বাংলায় এনআরসি হবে না। চিন্তা করার কোনও কারণ নেই। আপনারা প্রত্যেকে এ দেশের নাগরিক। একটা লোককেও এখান থেকে বিতাড়িত করতে দেব না।’’

কংগ্রেস আমলে এনআরসি-র কাজ শুরু হলেও, বিজেপির হাতে তার অপব্যবহার হচ্ছে বলেও এ দিন অভিযোগ করেন মমতা। তাঁর কথায়, ‘‘কংগ্রেস যখন অসমে ক্ষমতায় ছিল, তখন অসম চুক্তির একটা পার্শ্বক্রিয়া হিসাবে এনআরসি ছিল। তার পরে বিজেপি এসে এটা করেছে। মনে রাখবেন আগুন যখন লাগে হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান, তফসিলি, আদিবাসী কেউ রেহাই পায় না। দাঙ্গা লাগলে সবার ঘরে আগুন লাগেন। বলেছিল একটা হিন্দুরও নাম বাদ যাবে না। অসমে দেখুন ১৯ লক্ষের মধ্যে ১৪ লক্ষ হিন্দু বাঙালির নাম বাদ হয়েছে। মুসলমান, পাহাড়ি, রাজবংশী, বিহারিদের নাম বাদ পড়েছে। তাঁরা সবাই অস্থায়ী জেলে রয়েছেন। বাংলায় এ সব হয় না, হবে না। বাংলা আপনাদের জায়গা, মানবিকতার জায়গা, মানুষের জায়গা, মা-মাটি-মানুষের জায়গা, সভ্যতা, সংস্কৃতির জায়গা। ভয় পাবেন না।’’

এর আগেও একাধিক বার এনআরসির বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মানুষের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করতে, দাঙ্গা বাধাতেই বিজেপি এনআরসি করতে উদ্যোগী হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁর।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা