kalerkantho

শনিবার । ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৯ রবিউস সানি ১৪৪১     

ভারত কখনোই কাশ্মীরকে বাদ দেবে না, মার্কিন কংগ্রেসে ভারতীয় সাংবাদিক

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৫ নভেম্বর, ২০১৯ ১৭:১৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভারত কখনোই কাশ্মীরকে বাদ দেবে না, মার্কিন কংগ্রেসে ভারতীয় সাংবাদিক

মার্কিন কংগ্রেসে আবারো উঠল ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর প্রসঙ্গ। এবার মুখ খুললেন লেখিকা সুনন্দা বশিষ্ঠ। তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, পাঞ্জাব এবং উত্তর-পূর্বে বেড়ে ওঠা জঙ্গি গতিবিধি এরই মধ্যে অনেকটা নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে ভারত। এবার নজর দিতে হবে কাশ্মীরের দিকে। জঙ্গি উপদ্রব পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে সেখানকার সাধারণ মানুষের মানবাধিকার ফিরবে। 

এর আগেও মার্কিন কংগ্রেসের মানবাধিকার বিষয়ক শুনানিতে কাশ্মীরের প্রসঙ্গ উঠেছিল। যদিও ভারত বারবারই বলছে, কাশ্মীর তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। কিন্তু মার্কিন কংগ্রেসের মানবাধিকার কমিশন জানান, ভারত ও পাকিস্তানে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ইতিহাসের ফলে জম্মু-কাশ্মীরে সাম্প্রতিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিচার হবে। 

দ্বিতীয় শুনানিতে সুনন্দা বশিষ্ঠ বললেন, ভারত একটি অনন্য গণতান্ত্রিক দেশ। জঙ্গি সমস্যা সমাধান করতে পারলেই কাশ্মীরের মানুষের জীবন পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়ে যাবে। পাকিস্তান থেকে প্রশিক্ষণ পাওয়া জঙ্গিদের নৃশংসতা অকল্পনীয়। ইসলামিক স্টেট (আইএস) জঙ্গিদের সমকক্ষ হয়ে উঠেছে তারা। কিন্তু কাশ্মীরে যতই হামলার চেষ্টা করুক, ভারত কখনোই কাশ্মীরকে বাদ দেবে না।

৯০ এর দশকে উপত্যকা থেকে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের বিতাড়নের কথা উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, এই বিষয়ে যে আজ এখানে কথা হচ্ছে, এতে আমি খুব খুশি। কারণ এক সময় আমি, আমার পরিবারের মতো অনেককে ঘর হারাতে হয়েছিল। কিন্তু সারা পৃথিবী সেদিন চুপ করে ছিল। তখন মানবাধিকারের ধ্বজাধারীরা কোথায় ছিলেন? তখন কেন মানবিকতা বাঁচাতে এগিয়ে আসেনি কেউ!

বশিষ্ঠের বক্তব্যের পর মার্কিন কংগ্রেসের এক সদস্য, টেক্সাসের শাইলা জ্যাকসন লি প্রশ্ন তোলেন, এখন জম্মু ও কাশ্মীরের মানুষের মানবাধিকার ফেরাতে কী করা হবে? তিনি জানতে চান, মার্কিন কংগ্রেসের পক্ষ থেকে উপত্যকায় ঘুরে দেখা সম্ভব কি না।
 
চলতি বছরের আগস্ট মাসে উপত্যকা থেকে ৩৭০ ধারা তুলে দেওয়ার পর থেকেই অবরুদ্ধ জম্মু-কাশ্মীর। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে টেলিফোন পরিষেবা। ল্যান্ডলাইন সাময়িকভাবে চালু হলেও মোবাইল পরিষেবা এখনো পুরোপুরি চালু হয়নি উপত্যকায়। নেই ইন্টারনেট সংযোগ। আর সেখানে মোতায়েন রয়েছে বিপুল সংখ্যক বাহিনী। 

৩১ অক্টোবরের পর থেকে ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে যাত্রা শুরু করেছে জম্মু-কাশ্মীর। কিন্তু সেখানকার মানুষের মৌলিক অধিকার এখনো ফেরেনি। এই পরিস্থিতির অবসান ঘটানোরই দাবি উঠেছে মার্কিন কংগ্রেসে।‌

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা