kalerkantho

শনিবার । ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৯ রবিউস সানি ১৪৪১     

গানে মুগ্ধ পুলিশ, উল্টো টাকা দিয়ে ছেড়ে দিয়েছে (ভিডিও)

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৪ নভেম্বর, ২০১৯ ২০:২৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গানে মুগ্ধ পুলিশ, উল্টো টাকা দিয়ে ছেড়ে দিয়েছে (ভিডিও)

গভীর রাতে স্টেশন চত্বরে ঘোরাফেরা করছিলেন ৪৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তি। তাকে দেখে সন্দেহ হয় টহল পুলিশের। এরপর তাকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয় ভারতের ইসলামপুর থানায়। মুহাম্মদ রফি, কিশোরকুমারের একের পর এক গান গেয়ে সেখানে সকলকে মাতিয়ে দেন তিনি। ছাড়া তো পানই, সঙ্গে থানায় অনুষ্ঠান করার জন্য তিনি হাতে পেয়ে যান অগ্রিম টাকা। আচমকা এমন সুযোগ পেয়ে খুশি ইসলামপুর মেলার মাঠের বাসিন্দা মুহাম্মদ আশফাক।

পুলিশ বলছে, কী কারণে যেন রাতে রাস্তায় ঘোরাফেরা করছিল। থানায় নিয়ে আসার পর সে ব্যাপারে আশফাকের কাছে জানতে চেয়েছিলেন কর্মকর্তারা। তার হাতের আঙুলে প্রচুর আংটি ছিল। রসিকতা করে কেউ কেউ জানতে চান, তিনি হস্তরেখাবিদ কি না। জবাবে আশফাক জানান, তিনি বিয়ের অনুষ্ঠানে গান গেয়ে বেড়ান। এভাবেই চলে রোজগার।

তাকে আইসির ঘরে নিয়ে যান পুলিশকর্মীরা। পুলিশ কর্মকর্তাদের অনুরোধে রফি, কিশোরের জনপ্রিয় কয়েকটি গান গেয়ে শোনান আসফাক। তার গলায় সে সব শুনে হতচকিত হয়ে যায় পুলিশ। থানার ‘টাউনবাবু’ সৌমিক চক্রবর্তী মোবাইল ফোনে আসফাকের গানের ভিডিও ধারণ করে রাখেন। পরে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ‘আপলোড’ করে দেন।

ওই সময় থানায় থাকা পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, এত উঁচু স্কেলের গান প্রতিভা না থাকলে কেউ সহজে গাইতে পারবেন না। ‘লোগ কহেতে হ্যায় ম্যায় শরাবি হুঁ’, ‘হাথো কি চন্দ লকিড়োঁ কা’ গানে মাতিয়ে দেন ওই যুবক। গান শুনে থানার পরের অনুষ্ঠানের জন্য তাকে ৫০০ টাকা অগ্রিম ধরিয়ে দেন আইসি শমীক চট্টোপাধ্যায়। 

শমীক বলেন, তার মধ্যে আলাদা প্রতিভা রয়েছে। না-হলে এমন কঠিন গান এত সহজে গাইতে পারতেন না। থানার অনুষ্ঠানে তাকে গান করার কথা বলেছি। অগ্রিমও দিয়েছি। আশফাকের গানের ভিডিও ‘ফেসবুকে’ আসার পর থেকেই লাইক, কমেন্ট বেড়েই চলেছে।

ইসলামপুরবাসীর একাংশ বলছেন, রানাঘাট স্টেশন থেকে এভাবেই খোঁজ মিলেছিল রানু মণ্ডলের। ইসলামপুর স্টেশন চত্বরে খোঁজ মেলা আশফাকের গান যে রানুর মতোই নেট-দুনিয়ায় ‘ভাইরাল’ হবে না, তা কে বলতে পারে!

আনন্দবাজার পত্রিকার সৌজন্যে দেখুন সেই ভিডিও

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা